বিজ্ঞাপন

আগামীকাল থেকে যেসব আন্তনগর ট্রেন চালু হবে, এর মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম পথের তিন জোড়া ট্রেন রয়েছে। এগুলো হচ্ছে সুবর্ণ এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলী/তূর্ণা এক্সপ্রেস ও মহানগর প্রভাতী/তূর্ণা এক্সপ্রেস।

ঢাকা-সিলেট পথে চলাচল করবে পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা/উপবন এক্সপ্রেস, ঢাকা-রাজশাহী পথে চলাচল করবে বনলতা এক্সপ্রেস ও পদ্মা এক্সপ্রেস, ঢাকা-খুলনা পথে সুন্দরবন ও চিত্রা এক্সপ্রেস চলাচল করে।

এর বাইরে ঢাকা-পঞ্চগড় পথের একতা ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করবে। ঢাকা-রংপুর পথের একমাত্র ট্রেন হচ্ছে রংপুর এক্সপ্রেস। ঢাকা-লালমনিরহাট পথে চলবে লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেন। ঢাকা-চিলাহাটির পথে চালু হচ্ছে নীলসাগর এক্সপ্রেস। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের মধ্যে তিস্তা এক্সপ্রেস, যমুনা এক্সপ্রেস, কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেন চালু হবে কাল। ঢাকা-নোয়াখালী পথের একমাত্র আন্তনগর ট্রেন উপকূলও কাল চালু হচ্ছে।

default-image

মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছে কর্ণফুলী, সাগরিকা, বলাকা, জামালপুর কমিউটার, ঢাকা কমিউটার, রকেট মেইল, মহানন্দা, পদ্মরাগ ও উত্তরা এক্সপ্রেস।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেলে আন্তনগর, মেইল, লোকাল ও কমিউটার মিলে ১৭৭ জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে ৫৪ জোড়া আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। মেইল ও কমিউটার ট্রেনের সংখ্যা ৬০ জোড়া। আর লোকাল ট্রেন চলাচল করে ৬০ জোড়া।
রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী প্রথম আলোকে বলেন, বিধিনিষেধ পুরোপুরি ওঠেনি বলে সব ট্রেন চালু করা যায়নি। পর্যায়ক্রমে সব ট্রেন চালু করা হবে।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের হার বাড়তে থাকলে ৫ মে সরকার যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। এ সময় অল্প কিছু মালবাহী ও পার্সেল ট্রেন চলাচল করেছে। রেলওয়ে সূত্র বলছে, সীমিত ট্রেন চালু করলে ব্যবসায়িকভাবে তাদের ক্ষতি হয়। এ জন্য সব ট্রেন একসঙ্গে চালুর পক্ষে ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সরকার পুরোপুরি বিধিনিষেধ তুলে নেয়নি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন পর ট্রেন চালু করার জন্য কারিগরি প্রস্তুতির প্রয়োজন। সেই সময়টা পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন