default-image

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিমকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় চিকিৎসক নুসরাত ফারজানা আগাম জামিন পেয়েছেন। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

জামিন চেয়ে তাঁর করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ বুধবার বিচারপতি হাবিবুল গনি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। ওই সময়ের মধ্যে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিননামা দিয়ে মেট্রোপলিটন সেশন জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়।

আদালতে উপস্থিত হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে আজ আগাম জামিনের আরজি জানান নুসরাত ফারজানা। আদালতে তাঁর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান লিখন।

বিজ্ঞাপন

পরে আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস প্রথম আলোকে বলেন, চিকিৎসক নুসরাত ফারজানা হাসপাতালে ‘অন-কল ডিউটিতে’ ছিলেন। এজাহারে আসামি হিসেবে তাঁর নাম নেই। এজাহারের ভেতরে শুধু বলা আছে আনিসুলের ভর্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন। এজাহারে তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই—এসব যুক্তিতে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি নিয়ে আদালত নুসরাত ফারজানাকে আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আগাম জামিন দিয়েছেন।

আনিসুলের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বাবা ফাইজুদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে ৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে ঢাকার আদাবর থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ আসামিসহ ১৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

যোগাযোগ করা হলে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, জামিনের বিপক্ষে রাষ্ট্রপক্ষ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেবে।

মানসিক সমস্যায় ভুগে রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে ৯ নভেম্বর ভর্তি হয়েছিলেন আনিসুল করিম। সেদিন ভর্তির পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান তিনি। পরিবারের অভিযোগ, ভর্তির পরপর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। সিসিটিভি ফুটেজেও দেখা যায়, পুলিশ কর্মকর্তাকে ভর্তির পরই একটি কক্ষে নিয়ে হাসপাতালটির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মারধর করছেন।

আনিসুলের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর বাবা ফাইজুদ্দিন আহমেদ বাদী হয়ে ৯ নভেম্বর দিবাগত রাতে ঢাকার আদাবর থানায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় এজাহারভুক্ত ১২ আসামিসহ ১৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0