বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকারের পাশাপাশি দেশের এসিআই, প্রাণ গ্রুপ, হাশেম ফুডস, স্কয়ার ফুডস, গ্লোবপ্যাক ফুডস, বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস অ্যান্ড আ্যালাইড প্রডাক্টস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ প্রায় ২০টির মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এতে অংশগ্রহণ করছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ খরচে যাতায়াতসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে এক্সপোতে অংশগ্রহণ করছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হতে জোরেশোরে অগ্রসর হচ্ছে। আমরা বর্তমানে কৃষিকে বাণিজ্যিক ও লাভজনক করতে কাজ করছি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়াতে প্রচেষ্টা চলছে। এ এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে দেশের অর্জিত বিস্ময়কর সাফল্য ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি সম্ভাবনা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা ও সম্মান আরও নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

আন্তর্জাতিক হর্টিকালচার এক্সিবিশন প্রতি দশকে একবার নেদারল্যান্ডসে অনুষ্ঠিত হয়। এবার বসেছে এক্সপোর ৭ম আসর। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘সবুজ নগর গড়ে তোলা’। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে পৃথিবীর ৬৮ শতাংশ মানুষ নগরে বাস করবে। নগরকে কীভাবে আরও সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য করা যাবে, সে বিষয়ে উদ্ভাবন ও গ্রিন সলিউশন এই এক্সপোতে প্রদর্শিত হচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসের আলমেরি শহরে ১৫০ একর জমি নিয়ে এবারের মেলা আয়োজন হচ্ছে। এক্সপোর ১০১ নম্বর প্লটটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। গুরুত্বের দিক দিয়ে আয়োজক দেশ ডাচ প্যাভিলিয়নের পাশের প্যাভিলিয়নটি বাংলাদেশের। ১০০০ বর্গমিটারের প্যাভিলিয়নটি জাতীয় ফুল শাপলার ১৮টি পাপড়ির ওপর দাঁড়ানো একটি প্রাকৃতিক প্যাভিলিয়ন যার বেশির ভাগ পাটের তৈরি পণ্য ও পাটের আঁশ দিয়ে সাজানো। এ ছাড়া আছে হর্টিকালচার ও প্রক্রিয়াজাত পণ্যের ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল ডিসপ্লে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন