বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বহিষ্কার হওয়া ১১ জন হলেন দিঘী ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আখতার উদ্দিন আহমেদ, একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য নুসরাত ইসলাম, বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আসমত আলী, একই ইউনিয়নের অপর বিদ্রোহী প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ, কৃষ্ণপুর ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী ও সদর উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল হামিদ, পুটাইল ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আবদুল জলিল, একই ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী ও জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের সভাপতি সোয়েব আহম্মেদ, ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল কাদের এবং একই ইউনিয়নের বিদ্রোহী প্রার্থী ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক জাফর ইমাম শাহাজাদা, হাটিপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মো. মিজানুর রহমান এবং আটিগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য নার্গিস আক্তার।
জেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্দেশ মোতাবেক জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের মনোনয়নপ্রাপ্ত নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় দলের গঠনতন্ত্রের ৪৭/১১ ধারা অনুযায়ী ওই সাতজনকে বহিস্কার করা হয়।

default-image

বহিষ্কার হওয়া পুটাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে আসছেন। বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে দলের জন্য অনেক শ্রম দিয়েছেন, অনেক ত্যাগ রয়েছে। জনগণের চাপেই তিনি নির্বাচন করছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।

এর আগে দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচনে জেলার সিঙ্গাইর উপজেলায় আওয়ামী লীগের আটজন বিদ্রোহী প্রার্থীকে দল ও সহযোগী সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁদের মধ্যে জার্মিতা ইউনিয়নে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল হোসেন এবং শায়েস্তা ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল হালিম চেয়ারম্যান নির্বাচত হন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন