বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ঢাকায় নিযুক্ত ফরাসি দূতাবাসের উপপ্রধান গিয়ম অড্রেন দে কেরড্রেল বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তের তালিকায় থাকা অন্যতম দেশ বাংলাদেশ। এ পরিবর্তনের কারণে যে ক্ষতি হচ্ছে, তা এখন দৃশ্যমান। এ ছবিগুলোই তার প্রমাণ। সত্যিকার অর্থে জলবায়ু পরিবর্তন মানুষের জীবনে কী প্রভাব ফেলছে, তা বাংলাদেশের একজন আলোকচিত্রী বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।

আবীর আবদুল্লাহর একক আলোকচিত্রী প্রদর্শনীতে ৩৪টি আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। এ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের উপকূল, বন্যা ও নদীভাঙনকবলিত অঞ্চলের মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কী ধরনের জীবনযাপন করছেন, সেসব উঠে এসেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইইউসিএন এশিয়া আঞ্চলিক মেম্বার্স কমিটির ভাইস চেয়ারপারসন এবং বাংলাদেশের আইইউসিএন জাতীয় কমিটির চেয়ারপারসন অধ্যাপক রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনকে গ্লাসগোর সম্মেলন কখনো বুঝবে না। কিন্তু এ অঞ্চলের সন্তান হয়ে আলোকচিত্রী তা তুলে ধরেছেন। আম্পান, ইয়াসের মতো বড় বড় ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মানুষগুলো সহসাই শরণার্থী হয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ করেই তারা ভিটেমাটিহীন হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিশ্বনেতৃত্বের সামনে এ পরিস্থিতির চিত্র সেভাবে যাচ্ছে না। জলবায়ু শরণার্থীরা এখন ক্ষতিপূরণ আদায়ের পণ্য হয়ে উঠেছে।

জার্মান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরামের চেয়ারম্যান ড্যানিয়েল সাইডল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য আবীর আবদুল্লাহর মতো মানুষ দরকার।
জলবায়ু শরণার্থীদের জীবন সামনে থেকে দেখার অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে আলোকচিত্রী আবীর আবদুল্লাহ বলেন, সুবিধাজনক জায়গায় বসে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হুমকিতে থাকা মানুষগুলো কীভাবে সংগ্রাম করছে তা বোঝা কঠিন।

উদ্বোধনী আয়োজনে আরও বক্তব্য দেন এএফপির ঢাকার ব্যুরো প্রধান শফিকুল আলম, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের পরিচালক টম মিসিওসিয়া, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার পরিচালক ফাসোয়া গুজে। সবার জন্য উন্মুক্ত এই প্রদর্শনী ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সোমবার থেকে শুক্রবার বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন