আহাদ অপহরণ মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ

দোকান কর্মচারী মহিউদ্দিন আহাদকে অপহরণের মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার এই তদন্ত শুরু হয়েছে।
রাজধানীর চিড়িয়াখানা সড়কের বাসা থেকে ৬ মার্চ র‌্যাব পরিচয়ে আহাদকে ধরে নিয়ে যান কয়েকজন ব্যক্তি। এর পর থেকে তাঁর সন্ধান পাননি স্বজনেরা। তিনি গুলশানের একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহ আলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, গত মঙ্গলবার বিকেলে আহাদের মা বাদী হয়ে তাঁর ছেলের দোকানের মালিক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করেন। মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি ইতিমধ্যে আহাদের পরিবার ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, আহাদের বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা কিংবা অভিযোগ নেই। এলাকাবাসীর কাছে তিনি নিরীহ হিসেবে পরিচিত।
অপহরণের মামলায় বলা হয়, প্রশাসনের লোক পরিচয়ে ৬ মার্চ ভোরে আহাদকে চিড়িয়াখানা সড়কের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।
গতকালও আহাদের স্বজনেরা জানান, আহাদকে ধরে নেওয়া ব্যক্তিদের একজনের পরনে র‌্যাবের পোশাক ও হাতে ওয়াকিটকি ছিল। পোশাকে র‌্যাব লেখাও ছিল।
গত বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আহাদের বাবাসহ স্বজনেরা ব্যানার নিয়ে আহাদকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নেন। ব্যানারে লেখা ছিল, র‌্যাব পরিচয়ে তাঁর ছেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁকে উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও কামনা করা হয়।
মানববন্ধনের খবর গণমাধ্যমে প্রচারের পর গতকাল আহাদের দোকানের মালিক গুলশান ২ নম্বরে তাঁর দোকানটি বন্ধ রেখেছেন। সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে তাঁর মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ পাওয়া যায়।