default-image

স্কুল ও কলেজপড়ুয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজির দক্ষতা বিকাশে দেশজুড়ে আয়োজন করা হয় ইংলিশ অলিম্পিয়াড। ইংলিশ অলিম্পিয়াডের ২০২০ সালের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠান হয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। ইংলিশ অলিম্পিয়াডের দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী পর্বে অংশ নেয় দেশের ৫০ হাজার প্রতিযোগী থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা।

সম্প্রতি রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে দুই দিনব্যাপী ইংলিশ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

default-image

শিক্ষা উপমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আগামীর দেশকে নেতৃত্ব দিতে হলে বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই দক্ষতা থাকতে হবে। বাংলা ভাষায় যেমন বাংলাদেশের উন্নতি করতে হবে, তেমনি ইংরেজি শিখে বিশ্বের বুকে বাংলাকে ছড়িয়ে দিতে হবে।

উদ্বোধনী আয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য ইংরেজি শেখার পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞান বাড়ানোর পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে ইংলিশ অলিম্পিয়াডের প্রধান সংগঠক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. চৌধুরী মফিজুর রহমান, নগদের মার্কেট ডেভেলপমেন্ট প্রধান সোলাইমান সুখন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটর ও ফ্যাকাল্টি মেম্বার সুকান্ত ভট্টাচার্য, ইংলিশ অলিম্পিয়াডের উপদেষ্টা এবং কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের স্কুল অব বিজনেসের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক এস এম আরিফুজ্জামান এবং নাগরিক ঢাকার প্রেসিডেন্ট এম নাঈম হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।

দুই দিনব্যাপী ইংলিশ অলিম্পিয়াডের গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠানের পুরস্কার বিতরণ করেন পদ্মা ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ শারাফাত।

default-image

ইংলিশ অলিম্পিয়াডের সমাপনীতে ৩৮০ প্রতিযোগীর মধ্য থেকে শীর্ষ ১৮ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হয়। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় প্রতিটি গ্রুপ থেকে তিনজনকে বাছাই করে স্টেজ রাউন্ডে ইংরেজির দক্ষতা মূল্যায়ন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। ইংলিশ অলিম্পিয়াডের শীর্ষ ১৮ প্রতিযোগী মোট তিন লাখ টাকার পুরস্কার পেয়েছেন। বাকি অংশগ্রহণকারী বিভাগীয় এবং জেলা স্তরে স্বতন্ত্র স্বর্ণপদক ও উপহার পেয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি গ্রুপের ১০ জনকে মেডেল এবং গ্র্যান্ড ফিনালের প্রতি প্রতিযোগীকে সনদপত্র দেওয়া হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শুধু ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি দক্ষতা বিকাশ নয়, বাংলা মাধ্যমের সব সাধারণ শিক্ষার্থীর ইংরেজি জড়তা কমাতে ও আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজিতে দক্ষ করে তুলতে নিয়মিত দেশজুড়ে ইংলিশ অলিম্পিয়াডের আয়োজন করা হয়েছে। ইংলিশ অলিম্পিয়াডের বর্তমান পরিকল্পনা-২০২০ সালের মধ্যে ২৫টি দেশে (যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়) ইংলিশ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা ও ২০২১ সালের মধ্যে ১০০টি দেশে এই প্রতিযোগিতা ছড়িয়ে দেওয়া।

ইংলিশ অলিম্পিয়াডের প্রধান আয়োজক মোহাম্মদ আমান উল্লাহ জানান, বর্তমান বিশ্বে নিজেকে সেরা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন যোগাযোগ, সৃজনশীলতা, সমন্বয় এবং যৌক্তিক চিন্তাধারা। ইংলিশ অলিম্পিয়াড এই গুণগুলো চর্চা করে এবং অন্যদেরও চর্চায় উৎসাহিত করে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0