বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত–সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রতারণার মাধ্যমে ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মুজাহিদুর রহমান নামের এক গ্রাহকের করা মামলায় রাসেল ও শামীমাকে আজ আদালতে হাজির করে পাঁচ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে ধানমন্ডি থানার পুলিশ। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে রাসেল ও শামীমাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন নাকচ করেন। তাঁদের জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁদের জামিনের আবেদনও নাকচ করেন।

২২ সেপ্টেম্বর রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে সিএমএম আদালতে মামলা করেন মুজাহিদুর। আদালত মামলাটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য ধানমন্ডি থানাকে নির্দেশ দেন।

মামলায় মুজাহিদুর অভিযোগ করেছেন, দুই টন এসি ও একটি কাঠের টি-টেবিলের জন্য তিনি ইভ্যালিতে ক্রয়াদেশ দেন। গত বছরের ১১ জুলাই তিনি টাকা পরিশোধ করেন। পণ্য দুটি ৪৫ দিনের মধ্যে ডেলিভারি দেওয়ার কথা থাকলেও আসামিরা তা করেননি।

এদিকে, ২৭ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির রাসেল, শামীমাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা করেন আলমগীর হোসেন নামের এক আইনজীবী। আদালত মামলাটি তদন্ত করে খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

মামলায় আলমগীর অভিযোগ করেছেন, গত ৩০ এপ্রিল একটি মোটরবাইক কেনার জন্য তিনি ইভ্যালিতে ক্রয়াদেশ দেন। গত ৩ মে তিনি টাকা পরিশোধ করেন। তবে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ এখনো তাঁর মোটরসাইকেল দেয়নি।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত গুলশান থানায় একটি ও ধানমন্ডি থানায় দুটি মামলা হয়েছে। আর আদালতে মামলা হয়েছে দুটি।

১৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে রাসেল ও তাঁর স্ত্রী শামীমাকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। রাসেলকে দুই দফা ও শামীমাকে এক দফা রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। দুজনই এখন কারাগারে আছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন