বিজ্ঞাপন

মোজাম্মেল হক বলেন, লকডাউনের কারণে মানুষের যাতায়াত সীমিত হলেও গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগে সড়কে ব্যক্তিগত যান, বিশেষ করে প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা-ব্যাটারিচালিত রিকশা, ট্রাক-পিকআপ ও কাভার্ড ভ্যানে গাদাগাদি করে যাতায়াত করেছে। এ কারণে এবারের ঈদে সড়কে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি দুটোই বেড়েছে।

আজকের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭ মে থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ২১ মে পর্যন্ত ১৫ দিনে ৩১৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২৩ জন নিহত ও ৬২২ জন আহত হয়েছেন। এ সময়ে রেলপথে দুই ঘটনায় দুজন নিহত হয়েছেন। নৌপথে তিন দুর্ঘটনার ছয়জন নিহত ও ১০০ জন আহত হয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রতিবারের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৪৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৯ জন নিহত, ১৯৯ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪৫ দশমিক ২৮ শতাংশ, নিহতের ৪৩ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ এবং আহতের ৩১ দশমিক ৯৯ শতাংশ৷ এই সময় সড়কে দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫১ জন চালক, ৮০ জন পরিবহনশ্রমিক, ৭৯ জন পথচারী, ৬৩ জন নারী, ৪৫টি শিশু, ১৫ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন সাংবাদিক, ১০ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, ৯ জন শিক্ষক, ৮ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, ৪ জন চিকিৎসক, ২ জন আইনজীবী এবং ১ জন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে।

দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ৩৬ দশমিক ৯৮ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান-লরি, ১৩ দশমিক ২৪ শতাংশ কার মাইক্রো, ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ট্রাক্টর-লেগুনা-মাহেন্দ্র, ৭ দশমিক ৭ শতাংশ অটোরিকশা, ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা-ইজিবাইক-ভ্যান-সাইকেল এবং ৫ দশমিক ৯৩ শতাংশ বাস এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক আবদুল হক, যাত্রী কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শরিফুজ্জামান শরীফ প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন