বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিনটি ক্যাটাগরিতে এবার বিভিন্ন দেশের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দিয়েছে উইটসা। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম এবং বিসিএস সভাপতি শাহিদ-উল-মুনীর উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার পাওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘসময় ধরে সরকার পরিচালনা করছেন। মৌলবাদ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি শেখ হাসিনা বরাবরই বাংলাদেশের প্রতে৵ক নাগরিকের জন্য খাদ্য ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছেন।

জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তাঁর সময়েই বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। সেই সঙ্গে দেশের আর্থসামজিক উন্নয়নে ত্বরান্বিত হয়েছে শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে।

এ বিষয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, উইটসা এমিনেন্ট পারসনস অ্যাওয়ার্ড পুরস্কার লাভ করায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্ববোধ করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে বিগত ১২ বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই পুরস্কার দেওয়ায় তিনি উইটসার মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান।
প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, এই পুরস্কার লাভ করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি জাতি তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়ন, বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধনে আরও অনুপ্রাণিত হবে।

এ ছাড়া ভিন্ন তিনটি ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ আরও তিনটি পুরস্কার অর্জন করেছে। এগুলো হলো ‘সাসটেইনেবল গ্রোথ/সার্কুলার ইকোনমি’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে বিজিএমইএ,

‘ইনোভেশন ই-হেলথ সলিউশন’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে জাতীয় স্বাস্থ্য বাতায়ন-১৬২৬৩ এবং ‘ই-এডুকেশন অ্যান্ড লার্নিং’ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মিয়ানমার, হংকং, নেপাল, তাইওয়ান, গ্রিস, রাশিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছে। আন্তর্জাতিক এ সম্মেলনের তৃতীয় দিনে শনিবার ই-কমার্স, সাইবার সিকিউরিটি, উইটসা অ্যাওয়ার্ড এবং প্রযুক্তি ব্যবসাবিষয়ক মোট আটটি সেশন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন