default-image

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আজ বুধবার সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। জয়ের সম্ভাবনা কার বেশি, এই আলোচনা ছাপিয়ে ভোট কেমন হবে, সে প্রশ্নই বড় হয়ে উঠেছে এই নির্বাচনে। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে খুব বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হবে না। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভোট কেমন হবে, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৭৩৫। এর মধ্যে ৪২৯টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ, যা মোট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬ শতাংশ

ভোট নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দিনভর চট্টগ্রামে নানা আলোচনা–আড্ডায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা ছিলেন অনেকটাই নির্ভার। সবকিছু ‘নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে, এমন একটা ভাব ছিল তাঁদের মধ্যে। অন্যদিকে বিএনপি নেতাদের কথায় ছিল শঙ্কা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকতে পারবেন কি না, দলের নেতাদের মধ্যে এ আলোচনা ছিল। আর সাধারণ মানুষ ভোট নিয়ে তাঁদের আগ্রহের পাশাপাশি সংঘাতের আশঙ্কার কথাও বলেছেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আজকের ভোটে মেয়র পদে সাতজন প্রার্থী থাকলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম চৌধুরী ও বিএনপির শাহাদাত হোসেনের মধ্যে। দুজনই প্রথমবারের মতো মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ফলে চট্টগ্রামের মানুষ আজকের ভোটে একজন নতুন মেয়র পেতে যাচ্ছেন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সর্বশেষ ভোট হয়েছিল ২০১৫ সালে।

বিজ্ঞাপন

আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, যেকোনো মূল্যে মেয়র পদে জয় চান তাঁরা। ভোটের ব্যবস্থাপনার জন্য মূল দল, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের নেতা–কর্মীদের নিয়ে কয়েকটি স্তরের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এমনকি ভোটার তালিকা বিশ্লেষণ করে কে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে পারেন, বিএনপির সমর্থক কারা এবং কোন কোন ভোটার নিরপেক্ষ, তা–ও চিহ্নিত করা হয়েছে। এখন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার পালা।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে কাউন্সিলর পদে ভোট হচ্ছে ৩৯টিতে। এর মধ্যে ৩২টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে বিদ্রোহীরাও লড়াইয়ে নেমেছেন।

অন্যদিকে বিএনপির নেতারা বলছেন, সদ্য সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাননি। কাউন্সিলর প্রার্থী নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ আছে। আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ বিরোধের কিছুটা সুফল তাঁরা পেতে পারেন। এ জন্য ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে হবে এবং শেষ পর্যন্ত মাঠে থেকে ভোট বুঝে নিতে হবে। এর জন্য কেন্দ্রে এজেন্ট থাকা জরুরি। নিজেদের ভোটারদের কেন্দ্রে আনার পরিকল্পনা নিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু ধরপাকড় এড়িয়ে কতটা মাঠে থাকতে পারবেন কর্মীরা এবং কেন্দ্রে কেন্দ্রে এজেন্ট নিশ্চিত করা মূল দুশ্চিন্তার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। যতটা সম্ভব শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকার চেষ্টা করবেন তাঁরা।

চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের ৪১টি ওয়ার্ডের মধ্যে কাউন্সিলর পদে ভোট হচ্ছে ৩৯টিতে। এর মধ্যে ৩২টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর সঙ্গে বিদ্রোহীরাও লড়াইয়ে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতায় দুজন নিহত হয়েছেন। ফলে আজ ভোটের দিনও সংঘাতের আশঙ্কা রয়ে গেছে।

গতকাল ঢাকায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আশা করি, একটা ভালো নির্বাচন দেখবেন। যত রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তার সবটুকুই সেখানে নেওয়া আছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই ভোট দিতে পারবেন।’

default-image

গ্রেপ্তার–আতঙ্ক

সাম্প্রতিক সময়ে যেকোনো নির্বাচনে ভোটের আগে কর্মী, সমর্থক ও পোলিং এজেন্টদের গ্রেপ্তারের অভিযোগ করে আসছে বিরোধী দল বিএনপি। চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনেও এই ধারা অব্যাহত আছে। দলটির অভিযোগ, গত এক সপ্তাহে তাদের ২৬৩ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৬ জন দলের মেয়র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন ও দলীয় কাউন্সিলর প্রার্থীর এজেন্ট। গত সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত ২০০ জনকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেছে বিএনপি।

গতকাল বিকেলে বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহাদাত হোসেনের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট ও চট্টগ্রাম নগর বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হাশেম প্রথম আলোকে বলেন, আতঙ্কে নেতা-কর্মীরা কেউ ঘরে থাকতে পারছেন না। ঘরে ঘরে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। রাতে (মঙ্গলবার) আরও ধরপাকড় করা হতে পারে।

নির্বাচনের জন্য পুলিশ কাউকে হয়রানি করছে না। যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাঁদেরই নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্র বলছে, প্রচার শুরুর পর থেকে গত রোববার পর্যন্ত নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন থানায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে সাতটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় তিন শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর বাইরে পুরোনো মামলায়ও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম নগরের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বিএনপি–সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, এক সপ্তাহ ধরে তাঁর কোনো কর্মী ঘরে থাকতে পারছেন না। এজেন্ট ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবে কি না, সেই শঙ্কায় আছেন তিনি।

এসব অভিযোগের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর গতকাল সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, নির্বাচনের জন্য পুলিশ কাউকে হয়রানি করছে না। যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা আছে, তাঁদেরই নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

ভোট গ্রহণ কর্মকর্তাদের মধ্যেও আতঙ্ক আছে

সিটি নির্বাচনে ভোট গ্রহণে ৭৩৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ১ হাজার ৪৭০ জন সহকারী প্রিসাইডিং ও ২ হাজার ৯৪০ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। নির্বাচনী কর্মকর্তারা পুলিশের পাহারায় চারটি এলাকা থেকে ভোট গ্রহণের সরঞ্জাম সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামসংলগ্ন জিমনেসিয়ামে সরঞ্জাম নিতে আসা ১৩ জন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয় প্রথম আলোর। তাঁদের প্রায় সবাই কমবেশি শঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

ভোটা গ্রহণ কর্মকর্তারা বলছেন, ভোটকেন্দ্রে অবাঞ্ছিত ব্যক্তিদের প্রবেশ ঠেকানোর মূল দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, তাঁরা প্রিসাইডিং কর্মকর্তাদের কথা খুব একটা পাত্তা দেন না। এতেই বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হন।

ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ডের একটি কেন্দ্রের একজন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, তাঁর কেন্দ্রটি এক কাউন্সিলর প্রার্থীর বাড়ির পাশে পড়েছে। ফলে তিনি কিছুটা আতঙ্কে আছেন।

বহিরাগত নিয়ে দুই পক্ষই সরব

চট্টগ্রাম নগরে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের জড়ো করার অভিযোগ তুলেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলই। বিএনপির মেয়র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র দখল করার জন্য আশপাশের জেলা ও উপজেলা থেকে নেতা-কর্মীদের জড়ো করেছে আওয়ামী লীগ।

বিএনপির পক্ষ থেকে কোন জেলা ও উপজেলা থেকে কত বহিরাগত এসেছে, এর একটা তালিকাও করা হয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, প্রতিটি কেন্দ্রে ১০০ জন করে বহিরাগত থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে গতকাল রাত ৮টা পর্যন্ত বিএনপির পক্ষে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করা হয়নি।

বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্বাচনকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি। জামায়াত-শিবিরের সশস্ত্র সন্ত্রাসী, বিএনপি ক্যাডারদের চট্টগ্রাম শহরে এনে তারা নির্বাচনকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ২০১৫ সালের সিটি নির্বাচনে চট্টগ্রামের বাইরে থেকে বিপুল লোকজন কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছিল। এর প্রায় সবাই তৎকালীন মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাসির উদ্দীনের পক্ষে কাজ করেছেন।

default-image

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি

নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ৭৩৫। এর মধ্যে ৪২৯টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ, যা মোট ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬ শতাংশ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে একজন এসআইয়ে নেতৃত্বে অস্ত্রধারী ছয় পুলিশ এবং সাধারণ কেন্দ্রে চারজন পুলিশ সদস্য থাকবেন। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে থাকবেন ১২ আনসার সদস্য।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোটকেন্দ্র ও কেন্দ্রের বাইরে সব মিলিয়ে ৯ হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর সঙ্গে আছে ২৫ প্লাটুন বিজিবি। টহলে থাকবে র‍্যাবের ৪১টি দল। আর ৭৯ জন নির্বাহী ও ২০ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর গতকাল বিকেলে তাঁর কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ডানে–বামে তাকাব না। আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারীকে ধরা হবে। দলমত–নির্বিশেষে বহিরাগতদের ধরা হবে।’

আওয়ামী লীগের কৌশল

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও মেয়র প্রার্থীর ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, নৌকা প্রতীকের ভোট নিশ্চিত করতে বাছাই করা কিছু নেতাকে বিভিন্ন কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা আছেন। তাঁদের মূল কাজ হবে প্রতিটি কেন্দ্র ঘিরে কয়েক ধাপে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
এই পরিচালনা বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত দুজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার রাতে অথবা ভোটের দিন (আজ) সকালে চূড়ান্তভাবে কর্মপরিকল্পনা বুঝিয়ে দেওয়ার কথা রয়েছে।

default-image

বিএনপির কৌশল

বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত অন্য সব নির্বাচনের মতো চট্টগ্রামেও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইবেন। এ জন্য বিএনপিও বিকল্প কৌশল নিয়েছে। দলটির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দুই নেতা জানান, ধানের শীষের পোলিং এজেন্ট শুরুতেই সরকারি দল ও পুলিশের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। তাই মূল কর্মী বাহিনীকে কেন্দ্রে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বরং তাঁরা বাসা-বাড়ি থেকে ভোটারদের কেন্দ্রে পাঠানোর কাজ করবেন। কারণ, যত বেশি ভোটার কেন্দ্রে আনা যাবে, তত লাভবান হবে বিএনপি। আর ভোটাররা কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে না পারলে এর দায় পড়বে আওয়ামী লীগের ওপর। এর বাইরে নির্বাচনে কারচুপি বা অনিয়ম রোধে ভূমিকা রাখতে বিএনপি–সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থীর এজেন্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ভোটের খুঁটিনাটি

মেয়র পদে সাতজন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৬৮ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মোট ভোটার ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩। নারী ভোটার ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩। ৭৩৫টি কেন্দ্রে মোট ভোট গ্রহণ কক্ষের সংখ্যা ৪ হাজার ৮৮৬টি।
শান্তিপূর্ণভাবে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে পারবেন বলে আশাবাদী চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বাসায় ফিরে আসতে পারবেন ভোটাররা। একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন হবে।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন