বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত দুই ভাই ওয়ার্ড ও গ্রামপর্যায়ে প্রতিটি ঘরে গিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণা চালাচ্ছেন। এক ভাই ভোট চেয়ে যেতে না যেতেই আরেক ভাই এসে ভোট চাচ্ছেন। একই পরিবারের দুজন একই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ায় তাঁদের নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও কৌতূহল রয়েছে।

রহিমা বেগম নামের এক গৃহবধূ বলেন, ‘ইউপি নির্বাচনে সদস্যপদে আপন দুই ভাই প্রার্থী। একই পরিবারের দুজন প্রার্থী হওয়ায় আমরা চিন্তায় পড়ে গেছি। কাকে ভোট দেব আর কাকে দেব না। তবে যিনি নির্বাচিত হলে এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজ হবে, আমরা তাঁকেই ভোট দেব।’

ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের জন্য কাজ করছি। জনগণ আমার সঙ্গে রয়েছে। আশা করছি, এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হব।’

ঘুড়ি প্রতীকের প্রার্থী দিদার হোসেন মোল্লা বলেন, ‘জনগণের সমর্থনে এবার আমি প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি, জনগণ এবার আমাকে নিরাশ করবে না। বিপুল ভোটে আমাকেই জয়ী করবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুর রশিদ মোল্লা বলেন, ‘দল থেকে মনোনয়ন চেয়ে পাইনি। তাই জনগণের অনুরোধে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচন করছি।’ তবে দুই ছেলে একই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন করা গণতান্ত্রিক অধিকার। তাঁরা নির্বাচন করতে চেয়েছেন, তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকারে আমি হস্তক্ষেপ করিনি।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন