পথশিশুদের বন্ধু ডা. বুলবুলের মৃত্যু

দন্তচিকিৎসক আহমেদ মাহি বুলবুল তাঁর পেশার পাশাপাশি ‘পথশিশু সেবা সংগঠনে’র সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন। গত ২৭ মার্চ ভোরে ‘ছিনতাইকারী’দের ছুরিকাঘাতে আহত হন তিনি। পথচারীরা তাঁকে কাছের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতালটি কোনো ধরনের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়নি। শেষ পর্যন্ত তাঁকে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হয়। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ঊরুতে ছুরিকাঘাতের কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তিনি মারা যান।

বুলবুলের স্বজনদের দাবি, বেসরকারি হাসপাতালটি যদি প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে রক্তপাত বন্ধের চেষ্টা করত, তাহলে হয়তো বুলবুলকে এভাবে মরতে হতো না। এ ধরনের ঘটনা এড়াতে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) ও একাডেমি অব ল অ্যান্ড পলিসি (আলাপ) হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়েছিল অনেক আগে। হাসপাতাল ও বেসরকারি ক্লিনিকে জরুরি চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার কয়েকটি ঘটনায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে তারা জরুরি চিকিৎসা না দেওয়ার বাহানা বন্ধের আদেশ চেয়েছিল। তাদের দায়ের করা সেই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ ছিল, কোনো অবস্থাতেই জরুরি সেবার দরজা বন্ধ রাখা যাবে না।

পুলিশি ঝামেলা এড়াতে বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে হামলায় জখম ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ বহু পুরোনো। কিন্তু যেখানে পুলিশ বা দুর্ঘটনার নামগন্ধ নেই, সেখানেও বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো কি যথেষ্ট বিবেচনার স্বাক্ষর রাখছে?

জুলিয়ানের অভিজ্ঞতা

‘মুক্তিযুদ্ধের বন্ধু’ জুলিয়ান ফ্রান্সিস সবার চেনা। ২০১২ সালের মার্চে জুলিয়ানকে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ সম্মাননা দেওয়া হয়। এরপর ২০১৮ সালের ৩ জুলাই তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়। সেদিন গণভবনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জুলিয়ান ফ্রান্সিসের হাতে বাংলাদেশের নাগরিকত্বের সনদ তুলে দেন।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে জুলিয়ানের অসামান্য অবদানের জন্য সবাই তাঁকে শ্রদ্ধা করেন। স্বাভাবিকভাবে প্রতিবছর মার্চ মাসে তাঁর ব্যস্ততা বেড়ে যায়। নানা প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে তাঁর ডাক আসে। রেডিও-টেলিভিশন চ্যানেল সব জায়গায় তাঁকে কথা বলতে হয়। কোভিডকালেও তাঁর নিস্তার ছিল না।

এই উপমহাদেশে জুলিয়ানের ৪৫ বছর কেটে গেছে। তার মধ্যে ২৫ বছরের বেশি সময় কেটেছে শুধুই বাংলাদেশে। ঘুরে ঘুরে একাত্তরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে হয় তাঁকে। একাত্তর নিয়ে তাঁর লেখা ছাপা হয় মার্চজুড়ে। তবে এ বছর ব্যত্যয় ঘটে। জুলিয়ান নীরব ছিলেন। ফেসবুকে তাঁর কোনো স্ট্যাটাসও নজরে আসছিল না।

ভোলার ইলিশা ঘাটে গত ২৫ মার্চ ভোরবেলায় ঢাকাফেরত যাত্রীদের ওঠানামা দেখছিলাম। ৫০ বছরে লঞ্চ-স্টিমারের অনেক উন্নতি হলেও ঘাটে লঞ্চে ওঠানামার ক্ষেত্রে এখনো ‘জোর যার মুলুক তার’ অবস্থা বহাল আছে। একজন কোট-টাই পরা যাত্রী বার দুয়েক হোঁচট খেলেন। তাঁর হাতে একটি ইংরেজি দৈনিক। হোঁচটের দোলদোলানির মধ্যে সেই পত্রিকার প্রথম পাতায় দেখি জুলিয়ানের ছবি। তাড়াহুড়ার মধ্যে শুধু পড়তে পারি ক্যাপশনের বড় অক্ষরে লেখা অংশ ‘রিমেম্বার’। বুকটা ছ্যাঁৎ করে ওঠে। প্রথম পাতায় জুলিয়ানের ছবি, ক্যাপশন ‘রিমেম্বার’! মানে কী? ভিড়ের মধ্যে তলিয়ে গেলেন যাত্রী। শহরে ফিরে হন্যে হয়ে সেই ইংরেজি পত্রিকা আর খুঁজে পাইনি। অগত্যা খুলে বসি ল্যাপটপ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জুলিয়ানের প্রোফাইলে ঢুঁ মেরে দেখা গেল ইংরেজি দৈনিকটির ই-সংস্করণ। না, খারাপ কিছু নয়; পত্রিকাটি জুলিয়ানের একটা পুরোনো লেখা ছেপেছে, একাত্তরের স্মরণে ‘রিমেম্বার মার্চ টোয়েনটি–ফাইভ’। ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়ল যেন। কিন্তু খটকা যায় না! পুরোনো লেখা কেন?

জুলিয়ান এবারের মার্চও আগের মতোই শুরু করেছিলেন। একটি আন্তর্জাতিক ক্লাবের ঢাকা শাখা এক সন্ধ্যায় তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল একাত্তরে অভিজ্ঞতা বর্ণনা করার জন্য। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজকেরা রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁকে তাঁর বনানীর বাসায় পৌঁছে দেয়। রাত দুইটার দিকে প্রচণ্ড পেটব্যথায় জুলিয়ানের ঘুম ভেঙে যায়। জন্মের পর থেকে এই ৭৪ বছর বয়স পর্যন্ত (জুলিয়ান ফ্রান্সিসের জন্ম ১৯৪৮ সালের ২৯ এপ্রিল যুক্তরাজ্যে) কোনো সময় তাঁর এমন ব্যথা হয়নি। প্রথমে তাঁর মনে হয়েছিল গ্যাসের ব্যথা। পেটের কোনো কোনায় গ্যাস আটকে গিয়ে ঝামেলা পাকাচ্ছে।

কোভিড-১৯–এ ভোগার সময় যে সহৃদয় চিকিৎসকের পরামর্শ পেয়েছিলেন, তাঁকে স্মরণ করেন জুলিয়ান। তিনি অম্লনিবারক (অ্যাসিডিটির) ওষুধ গ্রহণের পরামর্শ দেন। ব্যথা কিছুতেই কমে না। ছুটে যান এক নামজাদা বেসরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। আশা করেছিলেন রোগীর কষ্ট বুঝে তারা তাৎক্ষণিক কোনো ব্যবস্থা নেবে। বেদনানাশক ইনজেকশন দিয়ে ব্যথা কমিয়ে অন্য অনুসন্ধানে মন দিয়ে খুঁজে বের করবে ব্যথার কারণ। ব্যথায় কুঁকড়ে যাওয়া জুলিয়ানের তখন কথা বলার শক্তিও নেই।

বছর কুড়ি আগে বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকেরা এ রকম পরিস্থিতিতে পড়লে নিজেদের হাইকমিশনের ক্লিনিকে চলে যেতেন। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি পর্যায়ে ‘বিশাল’ উন্নতির পর ব্রিটিশ হাইকমিশন সেই পাট চুকিয়ে দিয়েছে। প্রশাসনিক ব্যয় কমানোর এমন সুযোগ কে হাতছাড়া করে! বাংলাদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকেরা এখন ‘পাঁচ তারকা‘বেসরকারি হাসপাতালগুলোর হাওলায় চলে গেছেন।

জুলিয়ান ১৫ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে প্রয়োজন হলে ঘুরেফিরে ঢাকার তিনটি প্রধান বেসরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়েছেন। এবারও এক দামি হাসপাতালের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। জুলিয়ান আমাকে জানান, ব্যথায় কাতর প্রায় অচেতন তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিশ্বস্ত গৃহকর্মী। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো, ভর্তি দূরে থাক তাঁরা রোগীকে ছুঁয়েও দেখতে পারবে না। আগে গ্যাস্ট্রিকের চিকিৎসক আসবেন, তিনি দেখে যে ব্যবস্থা দেবেন, তার ওপর ভিত্তি করে কাজ এগোবে। জুলিয়ানের অপেক্ষার প্রহর আর শেষ হয় না।

অনেক পরে হেলতে–দুলতে আসা চিকিৎসক রোগীকে কোনো পরীক্ষা না করে, রোগীর সঙ্গে আসা লোকজনের সঙ্গে কথা না বলে, পুরোনো ব্যবস্থাপত্রে চোখ না বুলিয়েই জানিয়ে দিলেন, রোগীকে তিন পরীক্ষা ছাড়া (এনডোস্কপি, কোলনোস্কপি ও পেটের সিটি স্ক্যান) ভর্তি করা যাবে না। তা ছাড়া এখন রাত ১২টা বাজে। পরদিন শনিবার সকাল নয়টায় আসতে হবে।

ব্যথায় কুঁচকে থাকা জুলিয়ান কোনোমতে বলে ওঠেন, ‘কিন্তু আমার ব্যথার কী হবে। আমি যে প্রচণ্ড ব্যথায় মরে যাচ্ছি, এটা কি ইমার্জেন্সি বলে মনে হয় না আপনার।’ হাকিম নড়ে তো হুকুম নড়ে না। রোগীর কথা কানে নেওয়া হলো না। প্রচণ্ড ব্যথা নিয়েই জুলিয়ানকে শনিবারের অপেক্ষায় থাকতে হয়। সেদিনও সকাল থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় কোলনোস্কপি আর এনডোস্কপির জন্য। সন্ধ্যার পর সেই চিকিৎসকের দেখা পাওয়া যায়। জুলিয়ানকে দুই ধরনের ওষুধের ব্যবস্থাপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়। একটা দুই সপ্তাহের, অন্যটি এক মাসের। জুলিয়ান জানতে চেয়েছিলেন, ‘কবে আবার আসতে হবে? ফলোআপের কী বিধান; কীভাবে হবে?’ উত্তর আসে, ‘আপনার খুশি; যেদিন ইচ্ছা আসবেন’।

এই কঠিন অবস্থায় এক পুরোনো বন্ধু জুলিয়ানের খোঁজ নিতে ফোন করেন। একাত্তরের শরণার্থীদের সঙ্গে কাজ করার সময় সহকর্মী
হিসেবে পেয়েছিলেন তাঁকে। বিবিসিতে কাজের সুবাদে এখন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাংবাদিক। একনামে সবাই চেনেন তাঁকে। জুলিয়ানের কথা শুনে তিনি একই হাসপাতালের একজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের নাম–ঠিকানা দিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার কথা বলেন। নিজেও তাঁকে ফোন করে খুলে বলেন সব কথা। জুলিয়ান এবার সঠিক ব্যবহার পান। হাসপাতালের সব স্তরের আচরণ ৩৬৫ ডিগ্রি ঘুরে যায়। জুলিয়ান বেঁচে যান। আমাদের ইজ্জত রক্ষা হয়।

জুলিয়ান ফোনে জানান, ‘এখানে কানেকশন ছাড়া এখন আর কিছুই কাজ করে না।’

একজন চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণ

সত্তর দশকের সাহসী তরুণ মেডিকেল শিক্ষার্থী আরিফুর রহমানের কথা অনেক পাঠকের মনে থাকার কথা। লাশঘরে রাখা মৃতদের কলিজা খাওয়া ‘খলিলুল্লাহর’ ওপর তাঁর সচিত্র প্রতিবেদন সারা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল একসময়। এখন কাজ করেন সৌদি আরব আর কানাডায়। সম্প্রতি দেশে এসে একটি ‘তারকা’ হাসপাতালে গিয়েছিলেন পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে মোলাকাত করতে। হাসপাতালটির হালহাকিকত দেখে আর জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা এক হার্ট অ্যাটাকের রোগীর স্ত্রীর আহাজারি তাঁকে অবাক করে। তাঁর সঙ্গে কথা বলার পর ডা. আরিফ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের ব্যাঙাচিসংখ্যক হাসপাতালগুলোতে হাজারো রোগী আছে, অসংখ্য ডাক্তার আছে, কিন্তু চিকিৎসাব্যবস্থা একটি কাঠখোট্টা ইন্ডাস্ট্রি হয়ে যাচ্ছে, মানবিক ব্যাপারগুলি অনুপস্থিত। অথচ কিছু মনোযোগ, কিছু বাতচিত পুরো পরিবেশটাকে বন্ধুত্বপূর্ণ রূপ দিতে পারে।’

একজন জরুরি চিকিৎসাপ্রার্থীর অভিজ্ঞতা ও প্রতিজ্ঞা

ওপরের আলোচনা থেকে মনে হতে পারে চিকিৎসাসেবা ও রোগীর সঙ্গে আচরণ নিয়ে প্রশ্ন আছে শুধু তারকা বেসরকারি হাসপাতালের ক্ষেত্রেই, তা নয়। ব্যতিক্রম থাকলেও সরকারি হাসপাতালগুলো নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। এই অভিযোগ যতটা না চিকিৎসা নিয়ে, তাঁর চেয়ে বেশি ‘বাজে ব্যবহার’ ও ‘অসহযোগিতা’ নিয়ে।

আমাদের এক লেখক বন্ধু, যিনি আগে সাংবাদিকতায় ছিলেন, এখন অন্য কিছু করেন; তিনি একবার রাত পৌনে তিনটায় তীব্র পায়ে ব্যথা নিয়ে একটি সরকারি হাসপাতালের জরুরি যান। সেখান থেকে পাঠানো হয় (রেফার) আরেক বিশেষায়িত সরকারি হাসপাতালে। সেখানেও প্রতিবন্ধকতা। তিনি লিখেছেন, ‘“জম্বির”’ মতো বসে আছি হুইলচেয়ারে। হাসপাতাল স্টাফদের বাজে ব্যবহার, অসহযোগিতায় শেষ পর্যন্ত চিৎকার করতে হলো। চিৎকার না করলে মূল্য পাওয়া যায় না। অথচ আমি মানুষের সঙ্গে চিৎকার করা খুবই অপছন্দ করি৷’

চিৎকারের পর জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসেন। দুটি ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেন। সেটা দেওয়া নিয়েও কয়েক দফা হাউকাউ করতে হয়। আমার বন্ধু আরও লিখেছেন, ‘হাসপাতালের এমন বিশ্রী অবস্থায় সাধারণ মানুষের কী হাল হয়, সেটাই জানতে চাইছিলাম ডাক্তারের কাছে। অন্যান্য দেশে চিকিৎসক এবং হাসপাতালের স্টাফদের ব্যবহারেই রোগী অর্ধেক সুস্থ হয়ে যায়। এই দেশে হয় উল্টো।’

এ লেখায় দেওয়া তিনটি উদাহরণ হয়তো পুরো বাংলাদেশের চিত্র নয়। অনেক নিবেদিত চিকিৎসক রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে হাজার হাজার রোগী সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরছেন। চিকিৎসকদেরও অনেক প্রতিকূলতার মধ্যে কাজ করতে হয়। রোগীর চাপ বেশি, জনবল ও চিকিৎসা–সুবিধা অপ্রতুল। বঞ্চনাও আছে। কিন্তু জরুরি সময়ে রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া, রোগীকে আশ্বস্ত করা, রোগীর স্বজনদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার—এটা চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব।

ঢাকা থিয়েটারের এক নাটকে (জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন) একসময় গানের তালে তালে বলা হতো ‘হাসপাতালে আইস্যা, গেলাম আমি ফাঁইসা’—এটা যেন বাংলাদেশের হাসপাতালের চিত্র না হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন