পরিবহনমালিকেরা শর্ত দিয়েছেন, শুধু ঢাকা মহানগরে চলাচলকারী বাসে অর্ধেক ভাড়া দেওয়া যাবে। আজ দেখা গেল, ঢাকা কমার্স কলেজের একজন শিক্ষার্থী গাজীপুর থেকে মিরপুর এসেছেন কিরণমালা পরিবহনে। নির্ধারিত ৬৯ টাকার ভাড়ার অর্ধেক ৩৫ টাকা। কিন্তু সে শিক্ষার্থীর কাছ থেকে রাখা হয়েছে ৪৫ টাকা। বাসটি তো ঢাকায়ও চলে। এই সমস্যার সমাধান কী?

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ: এটার পরামর্শ কী? আমাদের বলেন। ঢাকার বাইরের কথা আসেনি আমাদের আলোচনার সময়। এই সমস্যার সমাধানের কথাও ভাবব। আশপাশের জেলাগুলোর পরিবহনমালিকদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

আমরা দেখেছি, আজ কিছু ক্ষেত্রে অর্ধেক ভাড়া রাখা হচ্ছে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের কটুকথা শোনাতেও দেখা গেছে। অর্ধেক ভাড়া নিয়ে শিক্ষার্থীদের হেয় করা বন্ধ হতে পারে কীভাবে?

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ: একটা স্টুডেন্ট শিক্ষিত। তাদের কাছ থেকে ভালো আচরণ আশা করি। বাসশ্রমিক ও শিক্ষার্থী উভয়েরই সংশোধন হওয়া উচিত। এ জন্য অবশ্য বাসশ্রমিকদের কাউন্সেলিংয়ের প্রয়োজন। বিআরটিএকে বলব, সব বাসশ্রমিকের কাউন্সেলিংয়ে যাতে প্রোগ্রাম নেয়। বাস শ্রমিক ফেডারেশন ও ইউনিয়নেরও উদ্যোগ নেওয়া উচিত। এ জন্য সময়ের দরকার।

পরিস্থান নামের একটি বাসের ভাড়া তালিকায় লেখা দেখলাম, বছিলা থেকে মিরপুর–১ পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়া ১৮ টাকা। কিন্তু ওয়েবিলের কথা বলে ভাড়া রাখা হচ্ছে ২৫ টাকা। ওয়েবিলের নামে অতিরিক্ত ভাড়া কবে বন্ধ হবে?

খন্দকার এনায়েত উল্যাহ:খন্দকার এনায়েত উল্যাহ: নতুন (বিআরটিএ–নির্ধারিত) ভাড়ার সঙ্গে ওয়েবিল সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত মালিকদের নিতে হবে। বিআরটিএ এ নিয়ে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করছে। তাঁদের গাড়ি জরিমানা করছে, ডাম্পিং করছে।

কিন্তু পরিবর্তন কোথায়?


খন্দকার এনায়েত উল্যাহ: এটা অনেক দিনের একটা খারাপ অভ্যাস। ভালো জায়গায় নিতে সময় লাগবে। এটা নিয়ে বসে নেই আমরা। সবাইকে ডেকে অনবরত কথা বলছি। আশা করি, এবার ঠিক হয়ে যাবে। চট্টগ্রামের অর্ধেক ভাড়ার বিষয়টি ঠিক করার পর।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন