বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তিন বোনকে ঢাকার আদাবর থানায় আনা হচ্ছে বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার মৃত্যুঞ্জয় দে জানিয়েছেন।

এদিকে র‌্যাব-২–এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবু নাঈম মো. তালাত প্রথম আলোকে বলেন, ‘তিন বোন খালার বাসায় থাকত। দুজনের এসএসসি পরীক্ষা চলছিল। এরই মধ্যে তারা জানতে পারে, বাবা অসুস্থ। বাসার কাউকে কিছু না জানিয়ে তারা যশোরে যায়। আমরা ভিডিও কলে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের চাচাদের সঙ্গেও আমাদের কথা হয়েছে। ভিডিও কলে তারা তাদের খালার সঙ্গেও কথা বলেছে। এখন আমরা নিশ্চিত হয়েছি তারা নিখোঁজ হয়নি।’

খালাকে বিষয়টি তারা জানায়নি কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে র‌্যাব-২–এর অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে তাদের জিজ্ঞাসা করব। আমরা প্রথম থেকেই তাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ, এই বয়সে অনেক তরুণী টিকটকের ফাঁদে পড়ে ঘর ছাড়ছেন। তারা এমন কোনো ফাঁদে পড়েছে কি না, সেই বিষয়টিকেই আমরা গুরুত্ব দিচ্ছিলাম। তবে এখন আমরা নিশ্চিত, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

এদিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র‌্যাব জানায়, ২০১৩ সালে মা মারা যাওয়ার পর থেকে তিন বোন খালার বাসায় বসবাস করছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের খালা ভীত হয়ে আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার ছায়া তদন্তে নেমে র‌্যাব তাদের অবস্থান শনাক্ত করে। তাদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথাও বলে র‌্যাব। নিকটাত্মীয়রা উদ্বিগ্ন থাকায় যশোরের কোতোয়ালি থানায় যোগাযোগ করে র‌্যাব।

তিন বোনের খোঁজ না পেয়ে গতকাল আদাবর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাদের খালা সাজিয়া নওরীন। জিডির তথ্য অনুযায়ী, ‘নিখোঁজ’ তিন বোনের বয়স ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে দুজন এসএসসি পরীক্ষার্থী। গতকাল বেলা ১১টার দিকে তারা বাসা থেকে বের হয়।

সাজিয়া নওরীন জানান, তিনজনই তাঁর বড় বোনের মেয়ে। তিন বছর আগে তাঁর বড় বোন মারা যান। বড় বোনের স্বামী পরে আবার বিয়ে করেন। ওই তিন বোন খিলগাঁওয়ে তাদের আরেক খালার বাসায় থাকে। তবে এসএসসি পরীক্ষার্থী দুই বোনের পরীক্ষা কেন্দ্র ধানমন্ডি গার্লস হাইস্কুল হওয়ায় তারা সবাই তাঁর আদাবরের বাসায় অবস্থান করছিল।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন