নারীর প্রতি বিদ্বেষপূর্ণ, অশালীন ও অবমাননাকর বক্তব্যের জেরে গত মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়তে বাধ্য হন মুরাদ হাসান। এরপর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কানাডার উদ্দেশে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। তবে করোনা সংক্রমণের মধ্যে কানাডার নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি সে দেশে প্রবেশ করতে পারেননি বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছিল।

‘নতুন দেশ’সহ কানাডাভিত্তিক একাধিক অনলাইনের বরাত দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলা হয়, টরন্টো বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মুরাদ হাসানকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বিশেষ করে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিকদের অভিযোগের কারণে পদ হারানো ওই প্রতিমন্ত্রী ভিসা থাকার পরও উত্তর আমেরিকার দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ পাননি।

কানাডা প্রবেশে ব্যর্থ হয়ে মুরাদ হাসান শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) পথে রওনা দেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি হয়ে তিনি দেশে ফিরতে পারেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ছিল।

মুরাদ হাসান দেশে ফিরতে পারেন এমন খবরে সাংবাদিকেরা দুপুর থেকেই হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান করছিলেন। এমিরেটস এয়ারলাইনসের ইকে ৫৮৬ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছান তিনি।

সাংবাদিকদের এড়াতে আন্তর্জাতিক টার্মিনাল ব্যবহার না করে অভ্যন্তরীণ টার্মিনাল দিয়ে বের হন মুরাদ হাসান। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন তিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন