বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে বলা আছে, আজ বেসরকারি সদস্যদের কার্যাবলি প্রাধান্য পাবে। বেসরকারি কোনো সদস্য বিল আনতে চাইলে এদিন তা আনতে পারেন। এ ধরনের বিলকে বেসরকারি বিল বলা হয়। তবে এ ধরনের বিল খুব একটা আনতে ও পাস হতে দেখা যায় না।

এর আগে নবম জাতীয় সংসদে বেসরকারি সদস্যদের উত্থাপিত ১৪টি বিলের মধ্যে ৩টি পাস হয়েছিল। পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে ছিল—সাবের হোসেন চৌধুরীর দ্য লেপার্স (রহিতকরণ) বিল-২০১০, জাতীয় পার্টির মুজিবুল হকের পিতা-মাতার ভরণপোষণ বিল-২০১৩, নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন-২০১৩। এ ছাড়া আরও বেশ কিছু বেসরকারি বিল সংসদে উঠলেও তা পাস হয়নি।

কৃষিজমি (যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণ) বিলে বলা হয়ছে, আইন কার্যকর হওয়ার পর দেশের সব কৃষিজমি কৃষিকাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করা যাবে না বা অন্য কোনো কাজের জন্য ভাড়া বা ইজারা বা অন্য কোনোভাবে হস্তান্তর করা যাবে না।

তবে ব্যক্তিগত বসবাসের জন্য ঘর নির্মাণ, কবরস্থান, শ্মশান, অন্যান্য ধর্মীয় সৎকারের স্থান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য এই বিধান প্রযোজ্য হবে না বলে বিলে বলা হয়েছে।প্রস্তাবিত বিলে কৃষিজমির যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণের জন্য তদারক কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এই কমিটির প্রধান হবেন সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এ ছাড়া উপজেলার কৃষি, ভূমি, মৎস্য, শিক্ষা, পরিসংখ্যান, সমবায়, যুব উন্নয়ন, সমাজসেবা, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা, সব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কমিটির সদস্য হবেন।

বিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি এই আইনের কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে তিন বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কেউ কৃষিজমিতে শিল্পকারখানা, রাস্তা, আবাসন বা অন্য স্থাপনা নির্মাণ করলে তদারক কমিটি নোটিশ দিয়ে নির্মাণকাজ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিতে পারবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন