বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার রুলসহ এ আদেশ দেন। কমিটিকে তিন মাসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
শ্রম আইনের ক্ষতিপূরণ বিধান অপ্রতুল উল্লেখ করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি, আইন ও সালিশ কেন্দ্র এবং সেফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি রোববার ওই রিট করে। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অনীক আর হক, শারমিন আকতার ও মো. শাহীনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

অনীক আর হক প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৬ সালের শ্রম আইনের তফসিল ও বিধানে কর্মক্ষেত্রে আহত ও নিহত শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে শ্রমিক মারা গেলে দুই লাখ টাকা এবং আহত হয়ে কর্মক্ষমতা হারালে আড়াই লাখ টাকা পাবেন। এ ছাড়া আহত হলে বেতনের আনুপাতিক হারে ক্ষতিপূরণ পাবেন, এটি অপ্রতুল ও অপর্যাপ্ত। যে কারণে শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান ও তফসিল চ্যালেঞ্জ করে ওই রিট করা হয়।

রুলে কর্মক্ষেত্রে আহত ও নিহত শ্রমিকের পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে ২০০৬ সালের শ্রম আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান ও তফসিল সংশোধনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আইনসচিব এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানসচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন