গাড়িবহর নিয়ে প্রচার: আনিসুল হকের প্রতিবাদ
প্রথম আলো অনলাইনে আজ রোববার প্রকাশিত ‘গাড়িবহর নিয়ে আনিসুল হকের প্রচার’ শীর্ষক সংবাদের বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী আনিসুল হকের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। তাঁর পক্ষে প্রতিবাদলিপিটি পাঠান কামরুজ্জামান বাবু।
ই-মেইলে পাঠানো প্রতিবাদলিপিতে দাবি করা হয়েছে, প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘১৩ থেকে ১৪টি গাড়ির বহর নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক। ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ড পরিদর্শনের ঘোষণা দিয়ে আজ রোববার দুপুর ১২টার সময় তিনি এ শোভাযাত্রা শুরু করেন। এর ফলে বিভিন্ন সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।’ প্রতিবাদপত্রে এই অংশটিকে ভুল বলা হয়েছে এবং এর প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ‘মূলত আনিসুল হক প্রচারণা শুরু করেছেন সকাল ১০টা থেকে। তিনি একটি খোলা পিকআপে করে তার স্ত্রী রুবানা হক, পরিবারের সদস্য, সাংসদ দীপু মনি, প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক কর্নেল (অব.) ফারুক খান এবং তাঁর কয়েকজন সমর্থককে নিয়ে প্রচারণা শুরু করেন বনানীর বাসা থেকে। এ সময় পিকআপের সঙ্গে আনিসুল হকের নির্বাচনী কর্মীদের ব্যবহৃত মোট তিনটি গাড়ি ছিল। আনিসুল হক যখন মহাখালীতে পৌঁছান, সেখানকার মানুষজন তার সমর্থনে পথসভার আয়োজন করে। পথসভা শেষে যখন আনিসুল হক মীরপুরের উদ্দেশে রওনা হন, তখন মোট নয়টি টিভি চ্যানেলের গাড়ি আনিসুল হকের পিকআপের পেছনে যাত্রা করে। সেই সঙ্গে প্রথম আলোর একটি সিএনজিও যোগ দেয়।’
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ‘এই সিএনজিসহ গাড়িগুলো কি আমাদের? আমরা বিস্মিত। আরও জানাতে চাই, যে স্থানে আমরা গিয়েছি, সেখানকার দুজন কমিশনার প্রার্থী তাদের গাড়ি নিয়ে আনিসুল হকের পেছন পেছন আসছিলেন। আমরা নিজেরাই তাদের থামিয়ে দিয়েছি। বলা হয়েছে, আমাদের বহরে নাকি পুলিশের গাড়ি ছিল। এটি কল্পনাপ্রসূত সংবাদ। পুলিশ রাস্তায় ছিল। কিন্তু আমাদের গাড়িতে কোনো পুলিশ ছিল না।’
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়েছে, ‘আরও বলতে চাই, আনিসুল হককে নিয়ে যখন এমন একটি সংবাদ প্রকাশ করা হলো, তখন একটি বারের জন্য তার কাছে জানতে চাওয়া হলো না যে গাড়িগুলো কাদের? তাহলে তখনই আমরা জানাতে পারতাম যে, এগুলো কাদের গাড়ি।’