বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, দেশে আবাসিক খাতে গ্যাসের গ্রাহক প্রায় ৪৩ লাখ। ২০১১ সাল থেকে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন কার্যক্রম শুরু হয়। গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত নিজস্ব ও বৈদেশিক অর্থায়নে কয়েকটি প্রকল্পের আওতায় ২ লাখ ৭৩ হাজার ১০০ আবাসিক শ্রেণির গ্রাহকের প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা হয়। কিন্তু তখন এই অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ জানিয়েছিল সংসদীয় কমিটি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আজকের বৈঠকে বিদ্যুতের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সন্ধ্যা ৬টা থেকে চার ঘণ্টা সারা দেশে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। তারই সূত্র ধরে কমিটি আবার দ্রুত সবাইকে প্রি-পেইড মিটারের আওতায় আনার সুপারিশ করল।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ওয়াসিকা আয়শা খান প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাসের সরবরাহ রাখার জন্য সিএনজি স্টেশনগুলোতে ‘রেশনিং’ করা হচ্ছে। এই মুহূর্তে এটি করা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু গ্যাসের অপচয়ও হচ্ছে। এটি রোধ করতে প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করা খুবই জরুরি। দেশের গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোর আর্থিক সক্ষমতা রয়েছে। তারা নিজস্ব অর্থায়নে এই কাজ করতে পারে।

সূত্র জানায়, বৈঠকে সিলেটের কৈলাসটিলা এমএসটিই প্ল্যান থেকে রশিদপুর কনডেনসেট ফ্রাকশনেশন প্ল্যান্টে কনডেনসেটের পরিবর্তে পানি সরবরাহের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ ঘটনা ঘটেছিল গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর। আজকের বৈঠকে ওই ঘটনায় করা তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। তাতে বলা হয়, কনডেনসেট খালাসের সময় সাড়ে ৪ হাজার লিটার কনডেনসেটের জায়গায় প্রায় ৩ হাজার ৬০০ লিটার পানি পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী কনডেনসেট বহনকারী লরির চালককে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়। একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ ছাড়া লরি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) তদন্ত করছে।

এ বিষয়ে কমিটির সভাপতি ওয়াসিকা আয়শা খান বলেন, দুদক তদন্ত শেষ করলে এ বিষয়ে প্রতিবেদন সংসদীয় কমিটিকে দিতে বলা হয়েছে।

ওয়াসিকা আয়শা খানের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, মো. আলী আজগার, মো. নুরুল ইসলাম তালুকদার, মো. আছলাম হোসেন, খালেদা খানম ও নার্গিস রহমান বৈঠকে অংশ নেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন