default-image

বই-খাতা বিক্রির ২৫ বছরের পুরোনো পারিবারিক ব্যবসা আবদুল হাফেজদের। এমন সংকটে কখনো পড়েননি। করোনাকালে দোকান টানা দুই মাস বন্ধ ছিল, জুনের প্রথম সপ্তাহে খুলেছেন। গত মাস থেকে কিছু আয়রোজগার হচ্ছে, তবে বিক্রি এখনো তলানিতে; কোনো দিন শূন্য।

৫ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ১৭০ বর্গফুটের দোকানটিতে নিরাপদ দূরত্বে বসে কথা হচ্ছিল আবদুল হাফেজের সঙ্গে। তিনি বললেন, ‘আমরা ব্যবসায় এমন খারাপ অবস্থায় কখনো পড়িনি। ঘরে বসে থাকতে ভালো লাগে না, তাই দোকান খুলে বসে থাকি। জমানো টাকা শেষ হয়ে গেছে।’

আনোয়ারা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সামনে মডার্ন লাইব্রেরি অ্যান্ড স্টেশনারি নামের দোকানটি চালাচ্ছেন হাফেজ আর তাঁর বড় ভাই আবদুল আউয়াল। ঘণ্টাখানেক বসে থেকে প্রথম আলোর প্রতিনিধি তাঁর দোকানে কোনো ক্রেতার দেখা পাননি।

স্কুল-কলেজে ভর্তির মৌসুমে এ দোকানে দিনে গড়ে ৩৫ হাজার টাকার বই–খাতা-স্টেশনারিসামগ্রী বিক্রি হতো। অন্য সময়ে বিক্রি হতো গড়ে ৮ হাজার টাকার। এখন তা ৭০০–৮০০ টাকায় নেমেছে।

৯ জেলা থেকে প্রথম আলোর সংবাদকর্মীদের পাঠানো তথ্য বলছে, হাফেজদের মতো অনেকে কাজকর্মে ফিরেছেন। কিন্তু করোনার ধাক্কা সামলে উঠতে পারছেন না। যাঁদের আয়ে সংসারের চাকা ঘুরত, তাঁরা এখন দিশেহারা।

মহামারির শুরুতে পেশা ছেড়ে, শহর ছেড়ে গ্রামে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন অনেকে। কেউ কেউ এখনো পুরোনো পেশায় ফিরতে পারেননি। কেউ কাজ হারিয়ে বিকল্প পেশায় ঝুঁকেছেন। কেউ চেষ্টা করেও কাজ পাননি।

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শাহাপুর গ্রামে ওয়াসিম আলীর বাড়ি। পরিবারে ছয়জন সদস্য। আগে খুব সকালে ফেরি করে মাছ বিক্রি করতেন, আর বেলা বাড়লে পদ্মা নদীর ধারে মুদিদোকান চালাতেন। দিনে হাজার টাকা লাভ থাকত। এখন তা ২০০ টাকায় নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

করোনাকালে জীবিকা, টিকে থাকা ও পুনরুদ্ধার নিয়ে করা একটি গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, দেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ার পর এখনো লোকজনের আয় অনেক কম। মহামারির আগের সময়ের ‍তুলনায় গত জুন ও জুলাই মাসে ব্যক্তির আয় গড়ে ৪২ শতাংশ কম ছিল।

গবেষণাটি করেছে বেসরকারি সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পারটিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এবং ব্র্যাক ইনস্টিটিউট ফর গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি)। ‘লাইভলিহুডস, কোপিং অ্যান্ড রিকোভারি ডিউরিং কোভিড-১৯’ শিরোনামের এ গবেষণা আরও বলছে, চাকরিবাকরির মতো আনুষ্ঠানিক কাজের চেয়ে অনানুষ্ঠানিক কাজগুলোতে আয় বেশি কমেছে।

ফেব্রুয়ারি থেকে জুনে ছোট ব্যবসায়ী, অদক্ষ শ্রমিক ও পরিবহনশ্রমিকদের আয় কমে অর্ধেক হয়েছে। তুলনায় বেতনভোগী শ্রমিক বা চাকরিজীবীদের আয় কমেছে গড়ে এক-পঞ্চমাংশের কাছাকাছি। তবে গত এপ্রিলের তুলনায় জুনে নতুন করে দরিদ্র হওয়া মানুষের হার যৎসামান্য কমেছে। এপ্রিলে নতুন দারিদ্র্যের হার ছিল ২৩ শতাংশ। জুনে হয়েছে ২২ শতাংশ।

মানুষজনের জীবিকার ওপর কোভিডের প্রভাব জানতে গবেষণাটির জন্য প্রথম ধাপে টেলিফোনে জরিপ চালিয়েছিল এপ্রিলে। দ্বিতীয় ধাপের জরিপটি হয়েছে জুন–জুলাইয়ে ১২ দিন ধরে। জরিপে ৭ হাজার ৬৩৮ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তাঁদের ৫৬ শতাংশ শহরবাসী, বাকিরা গ্রামের মানুষ।

পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, কোথায় গুরুত্ব দিতে হবে, সে বিষয়ে সরকারের মনোযোগের অভাব ছিল। সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এই অর্থনীতিবিদের মতে, সে কারণে করোনাকালের সূচনা থেকেই অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত খারাপ হয়েছে। অথচ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার যথেষ্ট সময় পেয়েছিল।

বিজ্ঞাপন

পেশা বদলে টিকে থাকা

যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা শিলা রানী দাস (৪০) একটি বেসরকারি কলেজে পড়াতেন। করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ মাসিক বেতন অর্ধেক করার ঘোষণা দেয়। তিনিসহ ১৪ জন শিক্ষক চাকরি ছেড়ে দেন।

শিলা এখন বাড়িতে বসেই নারকেলের নাড়ু ও পিঠা তৈরি করে অনলাইনে বিক্রি করছেন। উদ্যোগটির নাম দিয়েছেন ‘রসনা শৈলী’। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘বাড়িতে বসেই ছিলাম। বন্ধুবান্ধবের পরামর্শে ই-কমার্স ব্যবসার উদ্যোগ নিলাম, যদিও ব্যবসার কিছুই বুঝি না।’

চট্টগ্রাম শহরের কালামিয়া বাজার এলাকায় ভবন ভাড়া নিয়ে মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন মাওলানা মনসুরুল আলম। তাঁর চট্টগ্রাম দারুল ক্বরার আইডিয়াল একাডেমিতে ১৬০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক আছেন ১০ জন।

গত ১৭ মার্চ থেকে মাদ্রাসাটি বন্ধ। আনোয়ারার চাতরি এলাকায় বসে কথা হয় মনসুরুল আলমের সঙ্গে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মার্চের বেতন আদায় হয়নি। তহবিল ভেঙে জুন পর্যন্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিতে পেরেছেন।

মনসুরুল নিজে রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় চলে গিয়ে একটি মসজিদের ইমাম হন। ওই আয়ে কোনোমতে দিন পার করেছেন। চলতি মাসের শুরুতে চাকরিটা ছেড়ে আনোয়ারায় এসেছেন। মাদ্রাসা খোলার উপায় ভাবছেন।

সুনামগঞ্জ শহরের নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা দুলন দাস (৩৫) প্রায় ২০ বছর ধরে ভিডিওগ্রাফারের কাজ করেন। শহরের পৌর বিপণিবিতানে ভাড়ায় নেওয়া একটি দোকান ছিল। মাসে ১৫–২০ হাজার টাকা আয় হতো। ছয়জনের পরিবারে তিনি একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর থেকে সামাজিক অনুষ্ঠান একরকম বন্ধ। দুলনেরও কাজ নেই। পৌর বিপণিবিতানের সামনে একটি টেবিলে সুরক্ষাসামগ্রীর দোকান পেতেছেন। তিনি বললেন, ‘কত কষ্টে আছি, সেটা বলে বোঝানো যাবে না। করোনা আমাদের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।’

নেত্রকোনা শহরের ছোটবাজার এলাকায় হেলাল মিয়া (৩৩) এক যুগের বেশি সময় ধরে মাইক ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করেন। করোনাকালে সভা-সেমিনার বন্ধ, মাইকগুলো অলস পড়ে আছে। নিরুপায় হয়ে গত মাস থেকে তিনি শহরে মৌসুমি ফলের ভাসমান বিক্রেতা হয়েছেন।

যশোর শহরে ধর্মতলা এলাকার পরিতোষ বাউলের ‘বাউলিয়া সংঘ’ আর বায়না পায় না। তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা গেল, সঙ্গীসাথি নিয়ে তিনি নারকেলের মালা কেটে চায়ের কাপ, গ্লাস, বাটি, কলমদানিসহ হরেক রকম ঘর সাজানোর সরঞ্জাম বানাচ্ছেন।

পরিতোষ প্রথম আলোকে বললেন, ‘আমরা নারকেলের মালা কেটে কেটে অন্তত ১০ ধরনের শৌখিন জিনিস বানাতে পারি। ৯ হাজার টাকার একটি চালান সরবরাহ করেছি। যত দিন গানের ডাক না পাব, এভাবে চলব।’

পিপিআরসি–বিআইজিডি জরিপে বলা হয়েছিল, ফেব্রুয়ারিতে কাজ ছিল, কিন্তু জুনে কাজ নেই এমন মানুষের হার ১৭ শতাংশ। এ সময়ে পেশা বদল ঘটেছে ৭ শতাংশ মানুষের।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) জ্যেষ্ঠ গবেষক নাজনীন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, করোনাকালে গ্রামীণ অর্থনীতির অকৃষি খাতটি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে কাজ হারিয়ে শহর থেকে গ্রামে গেছেন। অনেকে কাজ হারিয়ে বিদেশ থেকে ফিরেছেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতির ওপর চাপ বেড়েছে।

বিজ্ঞাপন

গ্রামে ফিরে কিছু করা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একটি গাড়ি ধোয়ার দোকানে চাকরি করতেন চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মোহাম্মদ রাজীব হোসেন তালুকদার (৩১)। প্রতি মাসে বাড়িতে ২০-২৫ হাজার টাকা পাঠাতেন।

গত জানুয়ারিতে ছুটিতে দেশে এসে আটকা পড়েন রাজীব। ইতিমধ্যে তাঁর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কর্মস্থলে আর ফিরতে পারবেন কি না, জানেন না। এখন এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালাচ্ছেন।

ঢাকায় একটি ট্রাভেল এজেন্সিতে চাকরি করতেন আতিক রহমান (৩২)। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের শুরুতে মার্চেই তাঁর অফিস বন্ধ হয়ে যায়। তিনি চলে যান মাগুরা সদরে পুলিশ লাইনস পাড়ায় নিজ বাড়িতে।

মার্চ ও এপ্রিল মাসের বেতন পেয়েছেন আতিক। তারপর থেকে বেতন বন্ধ। এ অবস্থায় বিকল্প আয়ের উৎস তৈরি করতে বাড়িতে কবুতরের খামার এবং বাবার সঙ্গে ওষুধের দোকান দিয়েছেন তিনি।

আতিক রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এয়ারলাইনস ও পর্যটন–সংশ্লিষ্ট খাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে হয়তো কয়েক বছর লেগে যাবে। ঢাকায় আদৌ ফেরা হবে কি না, তা অনিশ্চিত। বিকল্প আয়ের ব্যবস্থা তাই করতেই হয়েছে।

লিটন মিয়া নেত্রকোনা সরকারি কলেজে ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করে ঢাকায় ধানমন্ডিতে একটি হিরার গয়নার দোকানে চাকরি নেন। করোনার শুরুতে চাকরিটা চলে যায়। তিনি নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী কালাইকান্দি গ্রামে বাড়িতে ফিরে যান।

লিটন মিয়া বললেন, ‘নিজের দুর্দশার কথা অন্যের কাছে বলতে লজ্জা লাগে। বাধ্য হয়ে নিজের সামান্য কিছু জমিতে চাষবাদ করছি। সংসার তো চালাতে হবে।’

ঢাকার খিলখেত এলাকায় মো. হাসানুজ্জামানের কম্পিউটারের ব্যবসা ছিল। দোকান গুটিয়ে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামে ফিরে যান। কয়েক মাস বসে থাকার পর সেপ্টেম্বরের শুরুতে তিনি উপজেলা সদরে কম্পিউটার মেরামতের একটি দোকান দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

খরচ কমিয়ে বাঁচার চেষ্টা

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার গোমা কৃষ্ণকাঠি গ্রামের আল আমিন সিকদার ঢাকাগামী একটি পণ্যবাহী জাহাজে চাকরি করতেন। মাসে আয় ছিল ১৫ হাজার টাকা। পাঁচ মাস ধরে তিনি বেকার।

আল আমিনের বাড়িতে বৃদ্ধা মা, ছোট ভাই, স্ত্রী, সন্তানসহ সাতজনের সংসার। তিন বছরের ছেলে আনদালাকে আগে ভাতের পাশপাশি দুধ খাওয়াতেন। এখন দুধ তো দূরের কথা, ডাল-ভাত জোগানোই মুশকিল হয়ে গেছে।

একই গ্রামের অবিনাশ সরকার চাকরি করতেন বরিশাল নগরের একটি আবাসিক হোটেলে। এপ্রিলে কাজ হারানোর পর গ্রামে ফিরে কৃষিশ্রমিকের কাজ করছেন। মজুরি কমে গেছে। সপ্তাহে ২ দিন কাজ করে তিনি ৮০০ টাকা পাচ্ছেন।

অবিনাশ বললেন, মা-বাবা-স্ত্রীসহ পাঁচজনের সংসারে দিনে দুই কেজি চাল লাগে। এখন দেড় কেজির বেশি রান্না হয় না। আর মাছ–মাংস খাওয়ার কথা চিন্তাও করেন না।

গোলাম রব্বানী পঞ্চগড় মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ইংরেজি পড়াতেন। প্রাইভেট পড়ানোসহ তাঁর মাসে আয় ছিল ৩৫ হাজার টাকা। প্রথম আলোর প্রতিনিধিকে তিনি বললেন, আয় অনেক কমেছে, খরচ কমাতে বাধ্য হয়েছেন।

মানিকগঞ্জে শহরে কুইন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল নামের একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেন আইয়ুব আলী। স্কুল বন্ধ, বেতনও বন্ধ। এখন দুজনকে বাড়িতে পড়িয়ে কোনোরকমে চলছেন। তিনি বললেন, ‘চরম হতাশার মধ্যে আছি।’

পিপিআরসি-বিআইজিডির গবেষণা প্রতিবেদন বলছে, ৩০ শতাংশ মানুষ কেনাকাটা কমিয়ে সংকট মোকাবিলার চেষ্টা করছেন। বাড়িভাড়া, স্বাস্থ্য, গণপরিবহনে যাতায়াত, গ্যাস-পানি-বিদ্যুৎ বিল—এই চার খাতে খরচ কমাতে করোনাকালে শহর ছেড়ে গ্রামে চলে গেছেন অনেকে।

গত এপ্রিলে শহর ছাড়ার হার ছিল ৬ শতাংশ। জুনে তা বেড়ে হয় ১৩ শতাংশ। আর রাজধানী ছেড়েছিল ১৬ শতাংশ মানুষ।

পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমানের মতে, করোনার ক্ষতি কাটাতে আনুষ্ঠানিক–অনানুষ্ঠানিক দুই খাতের দিকেই সরকারকে গুরুত্ব দিতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিসহ দেশের পুরো অর্থনীতিকেই করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ধাক্কা দিয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা
খাতসহ অনানুষ্ঠানিক অনেক খাতে এখনো কাজ শুরু হয়নি।

এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সরকারের মনোযোগ আনুষ্ঠানিক খাতে। আর্থিক সহায়তা যাচ্ছে ব্যাংকের মাধ্যমে। অথচ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষজনের বড় একটি অংশের সঙ্গে ব্যাংকের যোগাযোগ নেই। সরকার ক্ষুদ্র ঋণদাতা সংস্থার মাধ্যমে তাঁদের প্রণোদনা দিতে পারত, দেয়নি।

[প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন এম জসীম উদ্দীন, বরিশাল; খলিল রহমান, সুনামগঞ্জ; সুজন ঘোষ, চট্টগ্রাম; মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেন, আনোয়ারা; মনিরুল ইসলাম, যশোর; কাজী আশিক রহমান, মাগুরা; পল্লব চক্রবর্তী, নেত্রকোনা; আবদুল মোমিন, মানিকগঞ্জ; শফিকুল ইসলাম, রাজশাহীরাজিউর রহমান, পঞ্চগড়]

মন্তব্য পড়ুন 0