বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা ঘর পেয়েছে, তাদের মুখের হাসি আমি খুব পছন্দ করি।’
প্রধানমন্ত্রী সবাইকে, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের জাতির জনকের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি উন্নত ও সুন্দর জীবন উপহার দিয়ে জনগণের মুখে হাসি ফোটাতে চেয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, বেদে, তৃতীয় লিঙ্গ, চা-শ্রমিক, কুষ্ঠ রোগী, ভিন্নভাবে সক্ষম ব্যক্তিসহ সুবিধাবঞ্চিত সব শ্রেণির মানুষকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে গৃহায়ণ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চারটি জেলার চারটি স্থানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সুবিধাভোগী ও অন্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।

চারটি স্থান হলো ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার পোড়াদিয়াবালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদর উপজেলার খেজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি আশ্রয়ণ প্রকল্প ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাজীগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প।

মুজিব বর্ষে সারা দেশে প্রতিটি ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে গৃহায়ণের আওতায় নিয়ে আসার সরকারি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের মাধ্যমে তিন ধাপে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩৩টি বাড়ি বিতরণ করা হয়েছে।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের তৃতীয় ধাপের আওতায় সারা দেশে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মধ্যে আরও ৬৫ হাজার ৬৭৪টি ঘর বিতরণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আজ ৩২ হাজার ৯০৪টি বাড়ি হস্তান্তর করেছেন। সারা দেশের ৪৯২টি উপজেলায় এসব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন