বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বর্তমানে দুর্যোগের ১৬টি ক্যাটাগরি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশে বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যু বেড়ে গেলে ২০১৫ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগের তালিকায় যুক্ত করা হয়। সাধারণত দেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, পাহাড়ধসের মতো ঘটনাগুলোকে দুর্যোগ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হতো। ২০১৬ সাল থেকে বজ্রপাতকেও এ ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়। সরকার বজ্রপাত মোকাবিলায় সারা দেশে তালগাছ রোপণসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। কিন্তু তাতে বজ্রপাতে মানুষের মৃত্যু খুব একটা কমেনি।

আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পাঁচ বছরে পদার্পণ উদ্‌যাপন উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ বছরের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান মূল বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দুর্যোগ সহনীয় টেকসই নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় পরিকল্পিতভাবে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাত আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ১ শতাংশ জায়গায় একটি করে পাকা ঘর নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ঘরে একটি করে বজ্রপাত প্রতিরোধী দণ্ড থাকবে। সতর্কবার্তা শোনার পর মানুষ সেই আশ্রয়কেন্দ্রে যাবে। বজ্রপাত না হওয়া পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবে।

আজ বুধবার আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবসের জাতীয়ভাবে প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘মুজিববর্ষের প্রতিশ্রুতি, জোরদার করি দুর্যোগ প্রস্তুতি’। মুজিব বর্ষ সামনে রেখে দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতিকে জোরদার করার প্রতিশ্রুতি নিয়ে এবার দিবসটি পালিত হচ্ছে।

ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের হিসাব বলছে, বজ্রপাতে দেশে ২০১১ সালে ১৭৯, ২০১২ সালে ২০১ জন, ২০১৩ সালে ১৮৫ জন, ২১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ২২৬ জন, ২০১৬ সালে ৩৯১ জন, ২০১৭ সালে ৩০৭ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ১৯৮ জন ও ২০২০ সালে ২৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন