বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বক্তব্য দেন। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে মাদক নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘তামাকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সফলতা এসেছে। একইভাবে মাদক নির্মূলে সবাই একসঙ্গে কাজ করবেন। মাদক নির্মূলে মাদকের সরবরাহ ও চাহিদা কমাতে হবে। এসব না করতে পারলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ধ্বংস হয়ে যাবে।’ তিনি বলেন, মাদকাসক্তের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। তবে অসমর্থিত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৮০ লাখ। কিন্তু চিকিৎসাব্যবস্থা অপ্রতুল।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৫০ লাখ। মাদকাসক্তদের সহানুভূতির সঙ্গে চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তুলতে হবে। তিনি ওয়েসিস মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের জন্য রোগী বহনে একটি অ্যাম্বুলেন্স এবং রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ক্যানসার ইউনিট চালুর ঘোষণা দেন।

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সারা দেশেই মাদকাসক্তির বিস্তার ঘটেছে। মাদক নির্মূলে সবাইকে কাজ করতে হবে।

আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের হিসাব অনুযায়ী সারা দেশে ৩৬ লাখ মাদকাসক্ত, আরেকটি সংস্থার হিসাবে দেশে মাদকাসক্তের সংখ্যা ৮০ লাখ। তিনি বলেন, কোনো মাদকই দেশে তৈরি হয় না। সবই প্রতিবেশী দেশ থেকে আসে, আবার কোনো কোনো মাদক কুরিয়ার সার্ভিসে আসে। তিনি বলেন, চাহিদা থাকলে সরবরাহ হবেই। তাই চাহিদা ও সরবরাহ কমাতে হবে। একই সঙ্গে মাদকাসক্তকে চিকিৎসা দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ গোলাম রব্বানী, অরূপ রতন চৌধুরী ও মোহিত কামাল এবং ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন