বিজ্ঞাপন

ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ বলেন, ‘গত বছর আমরা দেখেছি যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজিকে অপসারণ করা হয়েছিল। তাতে বোঝা যায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত। ওই সব দুর্নীতি প্রকাশের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করা হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ—এটা তাঁর বক্তব্যে বোঝা যায়। এই দুর্নীতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে এই স্বাস্থ্য খাত আরও দুর্নীতিগ্রস্ত হবে।’

ফয়েজ উল্লাহ আরও বলেন, ‘রোজিনা ইসলাম এমন কী অপরাধ করেছিলেন যে তাঁকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন দিতে হয়? এই যে সচিবালয় দেখেন, এখানে হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়। অথচ রোজিনা ইসলাম নাকি গোপন নথিতে হাত দিয়েছেন। হাজার হাজার কোটি টাকার এসব খবরই নিতে গিয়েছিল রোজিনা ইসলাম।’

রোজিনা ইসলামকে অতি দ্রুত নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়ে ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সচিবকে প্রত্যাহার করতে হবে এবং দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের শাস্তি দিতে হবে।
রোজিনা ইসলামের জামিন নয়, নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করে ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া সেতু বলেন, ‘রোজিনা ইসলামের জন্য নাকি রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় যখন দুর্নীতি করে, তখন রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় না? তখন আপনাদের ভাবমূর্তি কোথায় যায়?’

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক দীপক শীলসহ অন্যরা। সমাবেশ শেষে ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা সড়ক ছেড়ে দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন