default-image

নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে করা মামলায় জেএমআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রাজ্জাককে বিচারিক আদালতের দেওয়া জামিন বহাল রয়েছে।

আবদুর রাজ্জাকের জামিন বাতিল প্রশ্নে রুল খারিজ করে আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি মহি উদ্দিন শামীমের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ।

নিম্ন আদালত আবদুর রাজ্জাককে জামিন দিয়েছিলেন। এই জামিনের বিরুদ্ধে দুদক হাইকোর্টে আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে গত বছরের ৩০ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। রুলে রাজ্জাকের জামিন কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এই রুল খারিজ করে আজ রায় দেওয়া হলো।

রায়ে আদালত বলেছেন, বিচারিক আদালতের জামিন আদেশে বেআইনি কোনো কিছু খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই রুলটি খারিজ করা হলো। অভিযুক্ত (রাজ্জাক) বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত জামিনে থাকবেন।

বিজ্ঞাপন

আদেশে আরও বলা হয়, বিচারিক আদালতের অনুমতি ছাড়া অভিযুক্ত (রাজ্জাক) দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। জামিনের অপব্যবহার হলে অভিযুক্তের (রাজ্জাক) জামিন বাতিল করার স্বাধীনতা বিচারিক আদালতের থাকবে।

গত ১৫ অক্টোবর ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ এই মামলায় আবদুর রাজ্জাককে জামিন দেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুদক হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করে।

হাইকোর্টে দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন মানিক। রাজ্জাকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এম কে রহমান।

পরে এম কে রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিচারিক আদালত আবদুর রাজ্জাককে যে জামিন দিয়েছিলেন, তা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। এর আগে দেওয়া রুল খারিজ করে এই রায় দিয়েছেন আদালত।’

জেএমআই হাসপাতাল রিক্যুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড সিরিঞ্জসহ হাসপাতালে ব্যবহৃত বিভিন্ন রকম সরঞ্জাম তৈরি করে থাকে। করোনাকালে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সরকারি হাসপাতালে নকল মাস্ক সরবরাহের অভিযোগ ওঠে। নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর আবদুর রাজ্জাকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা করা হয়। সেদিনই রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে আবদুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন