default-image

বাংলাদেশে প্রথম কোভিড–১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১০ মাস পেরিয়ে গেছে। কিন্তু আমরা দেশের সংক্রমণ পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ও গ্রহণযোগ্য চিত্র এখনো পাইনি। মহামারির প্রকৃত অবস্থাটা কী?

মুশতাক হোসেন: বাংলাদেশে শুরু থেকেই মানুষের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করার কারণে হঠাৎ করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্ফোরণ এড়ানো গেছে। কঠোর অর্থে লকডাউন না হলেও দীর্ঘ সময় ধরে সাধারণ ছুটির মাধ্যমে মানুষের চলাচল ও স্থানান্তর সীমিত করা সম্ভব হয়েছিল। ফলে চীন, ইতালি ও অন্যান্য দেশে যেমন সংক্রমণের বিস্ফোরণ ঘটেছিল, বাংলাদেশে সে রকম ঘটেনি। শুরু থেকেই সংক্রমণের গতি ছিল ধীর। গত বছরের জুলাই–আগস্ট মাসে সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল, তারপর কমেছে। কমাটাও ধীরে ধীরে ঘটেছে। সেটাই অব্যাহত আছে। তবে আমরা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার এমন ব্যবস্থা করতে পারিনি, যাতে শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যাবে যে সংক্রমণ আবার বাড়বে না। কারণ, আমরা দেখেছি, যেসব দেশ প্রথম দিকের সংক্রমণ ভালোভাবেই সামাল দিয়েছে, সেসব দেশেও পরে বারবার সংক্রমণ বেড়েছে। আর বাংলাদেশে জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় পুরো জনগোষ্ঠীকে আমরা এ বিষয়ে সেভাবে সচেতন ও সম্পৃক্ত করতে পারিনি। জীবন–জীবিকার বাস্তবতাও তো আছে। এসব বিবেচনায় আমাদের দেশে সংক্রমণ আবার বাড়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

আমরা দেখেছি, দৈনিক শনাক্তকরণ পরীক্ষার অনুপাতে সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার সংখ্যা বেশ কমে এসেছে। কিন্তু পরীক্ষার সংখ্যা যেহেতু কম, তাতে কি সারা দেশের পুরো চিত্রটা পাওয়া যাচ্ছে?

মুশতাক হোসেন: চিত্র বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না, কারণ সংক্রমণের হার সারা বাংলাদেশেই মোটামুটি একই রকম। কোথাও অনেক বেশি, কোথায়ও অনেক কম—এ রকম নয়। তা ছাড়া যাঁরা বিদেশ যাওয়ার আগে পরীক্ষা করাচ্ছেন এবং নন–কোভিড নানা স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছেন, তাঁদের করোনা পরীক্ষা থেকেও দেখা যাচ্ছে সংক্রমণের হার খুবই কম। এর বাইরে যাঁরা সন্দেহজনক নমুনা নিয়ে আসছেন, তাঁদের মধ্যেও সংক্রমণের হার কম। সুতরাং সমগ্রটা না হলেও চিত্রটা পাওয়া যাচ্ছে। তবে সাধারণভাবে বলা হয়, সংক্রমণ যখন খুব নিম্ন পর্যায়েও থাকে, তখনো শনাক্তকরণ পরীক্ষার আওতার বাইরে অন্তত দশ গুণ সংক্রমিত মানুষ থেকে যায়। আর পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত সংক্রমণের মাত্রা যখন বেশি হয়, তখন পরীক্ষার বাইরে আছেন এমন সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা আরও বেশি হয়। সংক্রমিতদের মধ্যে যাঁদের লক্ষণগুলো প্রকট হয়, তাঁরা হাসপাতালে আসছেন, তাঁদের পরীক্ষা করে সংক্রমিতদের সংখ্যা পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু মৃদু লক্ষণযুক্তরা পরীক্ষার আওতায় আসেন না, আর যাঁদের কোনো লক্ষণ নেই, তাঁরা তো আসেনই না। কাজেই সংক্রমণের ওঠানামা হচ্ছে কি না, সেই চিত্রটা বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। এখন সারা বাংলাদেশের প্রতি জেলা থেকেই মোটামুটি নমুনা আসছে।

বিজ্ঞাপন
  • দেশে আবার সংক্রমণ বাড়ার ঝুঁকি আছে।

  • অবস্থা গুরুতর পর্যায়ে খারাপ হওয়ার আগেই চিকিৎসা-সংক্রান্ত পরামর্শ জরুরি।

  • বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স ছাড়া অধিকাংশ দেশের পক্ষে নিজেরা টিকা কিনে প্রয়োগ করা দুরূহ হবে।

  • স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

  • মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের ক্ষেত্রে টিকা কাজ করতে না–ও পারে।

আমরা শুনতে পাচ্ছিলাম, শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে কোভিড সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আরও গুরুতর রূপ ধারণ করতে পারে। বাস্তবে যে সে রকম উদ্বেগজনক কিছু ঘটেনি তার কারণ কী হতে পারে?

মুশতাক হোসেন: দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে, এটা বলা যাবে না। আমরা যদি সংক্রমণের রেখাচিত্রের দিকে তাকাই, তাহলে সেখানে ঢেউয়ের মতো কিছু দেখতে পাই না। প্রথম ঢেউটা নেমে যাচ্ছিল, মাঝখানে অল্প সময়ের জন্য ওপরের দিকে উঠেছিল, কিন্তু এখন আবার তা নেমে যাচ্ছে। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউ আসবে না, এটা নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জাপান, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ইত্যাদি যেসব দেশ প্রথম পর্যায়ে সংক্রমণ খুব ভালোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করেছিল, সেসব দেশে কিন্তু সংক্রমণের ধাক্কাটা আবার এসেছে। আমরা কোভিড মোকাবিলায় ইউরোপ–আমেরিকার দেশগুলোর তুলনায় সফল; কিন্তু আমরা থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, লাওস, অস্ট্রেলিয়া, জাপানের মতো সফল নই। আমরা মাঝামাঝি পর্যায়ে আছি। এখানে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা পুরোপুরিই আছে।

আমরা তো করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছি ১০ মাস ধরে। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আমাদের কোভিড রোগীদের চিকিৎসাসেবা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় কি কোনো অগ্রগতি ঘটেছে?

মুশতাক হোসেন: দেখুন, করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম কাজ হচ্ছে সংক্রমণ প্রতিরোধ করা; অর্থাৎ সংক্রমণ যেন না হয়। কারণ, রোগীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা না গেলে হাসপাতালে যতই শয্যাসংখ্যা বাড়াই না কেন, পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা সেটা দেখছি ব্রাজিলে; সে দেশে কোভিড রোগীরা অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছেন। কাজেই সংক্রমণ প্রতিরোধ হচ্ছে প্রথম করণীয়; দ্বিতীয় করণীয় হচ্ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনাচরণে এমন পরিবর্তন আনা, যাতে সংক্রমণ মানুষ থেকে মানুষে না ছড়ায়। এই সব পাহারা এড়িয়ে সংক্রমণটা যখন ঘটেই যায়, তখন সামনে চলে আসে তৃতীয় করণীয়। সেটা হচ্ছে সংক্রমিত রোগীদের জীবন রক্ষা করা। তারও আগে একটা কথা আছে, যারা শনাক্ত হচ্ছে, তাদের সবাইকে হয়তো হাসপাতালে আসতে হবে না; কিন্তু শনাক্ত হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে অবশ্যই টেলিফোনে হলেও তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে রোগের অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে হবে, যাতে তাঁদের অবস্থা গুরুতর পর্যায়ে খারাপ হওয়ার আগেই চিকিৎসা–সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়া যায়।

এই কাজ কি করা হচ্ছে?

মুশতাক হোসেন: হচ্ছে, তবে পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে কাজটা শতভাগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এখন যেহেতু রোগী কম শনাক্ত হচ্ছে, সেহেতু ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে। কিন্তু যখন দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এক হাজারের ওপরে চলে যায়, তখন সেটা সম্ভব হয় না। এতগুলো ধাপ পেরিয়ে কোভিড রোগী হাসপাতালে আসে, কাজেই ওই ধাপগুলো যদি আমরা সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারি, তাহলে রোগীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তখন রোগী হাসপাতালে গেলেও সবাই খারাপ অবস্থায় যাবেন না। নানা অভিজ্ঞতা আমরা এই সময়ে অর্জন করেছি। চিকিৎসক ও নার্সরা সেসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছেন।

কিন্তু আমাদের কোভিড চিকিৎসার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার অবস্থা কী?

মুশতাক হোসেন: চিকিৎসা একটি সামগ্রিক ব্যাপার; শুধু চিকিৎসক ও নার্সদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা যথেষ্ট নয়। কোভিড চিকিৎসার জন্য আমাদের চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা বেড়েছে, তাঁদের অভিজ্ঞতাও বেড়েছে; কিন্তু চিকিৎসার যন্ত্রপাতি ও আনুষঙ্গিক সামগ্রীর ব্যবস্থা ঢাকা ও ঢাকার বাইরে প্রয়োজনীয় মাত্রায় হয়নি। লজিস্টিক সামগ্রীর অভাব দূর করা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ এলে চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। দ্বিতীয় ঢেউ আসার আগেই গত মাসে ঢাকার হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ শয্যা কোভিড রোগীতে প্রায় কানায় কানায় ভরে গিয়েছিল। অল্প কিছু রোগী বাড়াতেই যদি এই অবস্থা হয়, তাহলে দ্বিতীয় ঢেউ এলে কী অবস্থা হতে পারে, তা অনুমান করা যায়। কাজেই আমাদের উচিত ঢাকা ও ঢাকার বাইরের প্রতিটা জেলা হাসপাতালকে কোভিড চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করা। নতুন জায়গায় আইসিইউ যুক্ত করলে সেটা চালানোর মতো জনবল পর্যাপ্ত নেই। যারা এখন আইসিইউ চালাচ্ছেন, তাঁদের নতুন জায়গায় নিয়ে গেলে দুই জায়গাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ঢাকার বাইরে যেসব বড় বড় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ ভালো চলছে, সেগুলোতে আইসিইউ শয্যার সংখ্যা বাড়িয়ে, তাদের সঙ্গে নতুন চিকিৎসক, নার্স ও টেকনোলজিস্টদের নিয়ে যাঁরা অভিজ্ঞ তাঁদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে চালানো যাবে। আমি আবারও বলছি, আমাদের দেশে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ আসার আশঙ্কা পুরোপুরিই আছে।

আমাদের টিকার পরিস্থিতি কী দাঁড়াল? টিকা সংগ্রহ করা, টিকা প্রয়োগের পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা, জনবল, প্রশিক্ষণ—এই যে একটা বিরাট কর্মযজ্ঞ, আমাদের প্রস্তুতি কি ঠিক আছে?

মুশতাক হোসেন: টিকা ব্যবস্থাপনা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এখন পর্যন্ত যে চার–পাঁচটি কোম্পানি করোনাভাইরাসের টিকা তৈরি করেছে, তাদের মধ্যে মাত্র একটি কোম্পানি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ছাড়পত্র পেয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এখনো জমা দেয়নি। সারা বিশ্বের শতকরা ২০ ভাগ টিকা সরবরাহ করার আর্থিক সামর্থ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আছে; কিন্তু তারা যদি টিকা কোম্পানিগুলোর কাজ থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পায়, তাহলে সমস্যা হবে। তারা উন্নত বিশ্বে টিকা বিক্রি করছে। অবশ্য ওই সব দেশের টিকা আগে প্রয়োজন, কারণ সেখানে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা খুব বেশি। কিন্তু দক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, চিলিতেও অনেক রোগী। সেখানে তো টিকা যাচ্ছে না। আর বৈশ্বিক উদ্যোগ কোভ্যাক্স ছাড়া অধিকাংশ দেশের পক্ষে নিজেরা টিকা কিনে সবাই প্রয়োগ করা দুরূহ হবে। আমাদের দেশের ক্ষেত্রেও একই।

বিজ্ঞাপন

প্রত্যেক ব্যক্তিকে দুই ডোজ করে টিকা নিতে হবে কেন?

মুশতাক হোসেন: কারণ, কোনো টিকাই শতকরা এক শ ভাগ কার্যকর নয়। মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশের ক্ষেত্রে টিকা কাজ করতে না–ও পারে। সুতরাং এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অবস্থানকে আমি সমর্থন করি। যেসব টিকা কোম্পানি দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ করেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের বৈজ্ঞানিক তথ্য–উপাত্ত জমা দিতে তাগাদা দিচ্ছে। অনেক কোম্পানি তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে আছে; আমরা আশাবাদী যে একটিমাত্র ডোজ দিলেই যথেষ্ট হবে এমন টিকা অচিরেই পাব। বাংলাদেশে টিকার ব্যাপারে একটা পরিকল্পনা মোটামুটি দাঁড় করানো হয়েছে; তা নিয়ে এখন প্রশিক্ষণ হচ্ছে; প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরিকল্পনা যাচাই–বাছাই করে হালনাগাদ করা হচ্ছে।

প্রস্তুতির বিষয়ে একটু বলুন।

মুশতাক হোসেন: দেখুন, এক শ ভাগ প্রস্তুতি নিয়ে নামা সম্ভব হয় না, বিশেষ করে একটা অজানা রোগের বিরুদ্ধে। প্রস্তুতি একটা চলমান প্রক্রিয়া। টিকার যখন প্রয়োগ শুরু করব, তখন আসল পরীক্ষা শুরু হবে। তখন অনেক পরিকল্পনা হালনাগাদ করতে হবে। প্রাথমিক প্রস্তুতির পরিকল্পনা হয়ে গেছে, খসড়া আকারে আছে। বলা হয়েছে বৈজ্ঞানিক তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা প্রশিক্ষণ শুরু করেছি, বিষয়গুলোকে আরও সহজ করার কাজগুলো করছি। প্রস্তুতি ভালোভাবেই এগোচ্ছে। এখানে নাগরিক সমাজের উদ্যোগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজে ভুল হতে পারে, অসংগতি থাকতে পারে, কিছু বিষয় দৃষ্টি এড়িয়ে যেতে পারে। নাগরিক সমাজ সেগুলো ধরিয়ে দেবে, সংবাদমাধ্যম তুলে ধরবে। স্বার্থবাদী গোষ্ঠীর চাপ জনমতের চাপ দিয়ে মোকাবিলা করা যায়। আপনারা সাংবাদিকেরা মহামারির শুরু থেকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

সামনের কয়েক মাসের অগ্রাধিকারগুলো কী?

মুশতাক হোসেন: আমি যে তিনটা ধাপের কথা বললাম; সেসব অগ্রাধিকার তো আছেই। সংক্রমণ প্রতিরোধ, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা। এখন চতুর্থটা যোগ হলো। সেটা হচ্ছে নাগরিকের জন্য বিনা মূল্যে টিকাপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন