বিজ্ঞাপন

সাফিয়া খাতুন পৌর এলাকার বাইরে একটি রিসোর্টে উঠলেও মাহমুদা বেগম ওঠেন পৌর শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার রাধা উষা নামে একটি আবাসিক হোটেলে। সেখানে অবস্থান করলেও হোটেলের খাতায় নিবন্ধন করেননি। ওই হোটেলে থেকে তিনি আজ শনিবার শহরের বিভিন্ন এলাকা তিনি ঘুরে বেরিয়েছেন।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, রোববার ভোটের সময় তিনি এখান থেকেই শহরের ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে যাবেন। মাহমুদার অবস্থানের বিষয়ে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা সব জানলেও কিছু জানেন না নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা) জিলহাজ উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার জানামতে, প্রচারণায় অংশ নেওয়া মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এখন পৌর এলাকার বাইরের এক রিসোর্টে অবস্থান করছেন। পৌর এলাকার আবাসিক হোটেলে তাঁদের কারও অবস্থানের বিষয়টি আমার জানা নেই।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক কে এম কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

মাহমুদা বেগমের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে আজ বিকেল পাঁচটার দিকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। মাহমুদা বেগম এই প্রতিবেদককে জানান, তিনি রাধা উষা নামের একটি আবাসিক হোটেলে আছেন। সে সময় তাঁর সঙ্গে এই প্রতিবেদক কথা বলতে চাইলে তিনি তাঁকে (প্রতিবেদক) সেখানে যেতে অনুরোধ করেন। পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী প্রতিবেদককে সেখানে নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে দেখা যায়, মাহমুদা বেগম আর মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনার কলি পাশাপাশি কক্ষে অবস্থান করছেন। তাঁরা ছাড়াও আরও কয়েকজন নারীনেত্রীকে সেখানে দেখা গেছে।

পরিপত্র অমান্য করে ঠাকুরগাঁওয়ে অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহমুদা বেগম বলেন, ‘নির্বাচনে কয়েক দিন প্রচারণা চালিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। তাই বিশ্রাম নিতে এখানে আছি। এখানে থাকলেও নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছি না।’

এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি তৈমুর রহমান বলেন, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম পথসভায় বলেছেন, তাঁরা নৌকা না নিয়ে ঠাকুরগাঁও থেকে যাবেন না। এখন শুনছি তাঁরা শহরেই অবস্থান করছেন। আর বিষয়টি জেনেও না জানার ভান করছে প্রশাসন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন