ডাকসুর বিষয়ে উন্মুক্ত সংলাপ চান ওয়ালিদ

ওয়ালিদ আশরাফ। ফাইল ছবি
ওয়ালিদ আশরাফ। ফাইল ছবি
>
  • ওয়ালিদ বর্তমানে ২৪ ঘণ্টাই স্মৃতি চিরন্তনে অবস্থান করছেন।
  • তালা দেওয়া সাইকেলে হলুদ কাগজে লেখা ‘অপেক্ষায় আছি’।
  • ওয়ালিদের অপেক্ষা ডাকসু নির্বাচনের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উন্মুক্ত সংলাপ আশা করছেন এই দাবিতে অনশনরত ওয়ালিদ আশরাফ। এই সংলাপ করতেও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ জন্য তিনি আচার্য ও প্রশাসনকে চিঠি লিখবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবনের সামনে স্মৃতি চিরন্তনে ওয়ালিদ আশরাফ প্রথম আলোকে এসব কথা বলেন। তিনি গত রোববার থেকে অনশন শুরু করেছেন। দ্বিতীয় দফা এই অনশনের চার দিন শেষ হয়েছে।

ওয়ালিদ আশরাফ বলেন, ‘আমি চাই আচার্য ডাকসুর বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুন। তিনি সবকিছুর ঊর্ধ্বে।’

ওয়ালিদ বর্তমানে ২৪ ঘণ্টাই স্মৃতি চিরন্তনে অবস্থান করছেন। তালা দেওয়া সাইকেলে হলুদ কাগজে লেখা ‘অপেক্ষায় আছি’। এই অপেক্ষা ডাকসু নির্বাচনের। এর আগেও একই দাবিতে গত বছরের ২৫ নভেম্বর থেকে টানা ১৫ দিন অনশন করেছেন এই যুবক। তিনি সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সান্ধ্যকালীন স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী। আগের বার বামপন্থী কয়েকটি ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মী ও বেশ কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী তাঁকে সঙ্গ দিলেও এবার পাশে তেমন কেউ নেই। তবে বিষয়টি ভাবাচ্ছে না ওয়ালিদকে। তিনি বলেন, ‘প্রশাসন তো সব সময় যেকোনো আন্দোলনকারীকে কারও না কারও এজেন্ট বানিয়ে দেয়। আমাকেও বামপন্থীদের এজেন্ট বলেছে। এবার তারা না আসায় তাদের মিথ্যাচার প্রমাণিত হয়েছে।’

অনশন চলাকালে বিভিন্ন সময় ওয়ালিদকে পথচারীদের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়। তিনি বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁরা সবাই একধরনের ‘ভীতির’ মধ্যে আছেন উল্লেখ করে ওয়ালিদ বলেন, শিক্ষার্থীরা তাঁদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নন। দীর্ঘদিন ডাকসু না থাকার এটাই সবচেয়ে বড় কুফল। তাঁরা আবাসিক হলগুলোতে অন্যের অনুগত হয়ে থাকাকে নিজের নিয়তি হিসেবেই ধরে নিয়েছেন।