আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে যে ধারার (দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ৪৭৭-এ) অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে, তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শিডিউলভুক্ত অপরাধ। এ বিষয়ে মামলা দায়ের, তদন্ত কিংবা অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার শুধু দুদকের। এই আদালতের অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ার না থাকায় আবেদন ফেরত দেওয়া হোক। ওয়াসার এমডিসহ নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার আবেদন করেন ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সরকার।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মুনজুর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির টাকা আত্মসাতের অপরাধ সরকারি সম্পদ সম্পর্কিত হওয়ায় তা তদন্তের দায়িত্ব দুদকের। তাই আদালত মামলার আবেদন ফেরত দিয়েছেন। আমরা যথোপযুক্ত আদালতে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেব।’

মামলায় অপর যাঁদের নামে অভিযোগ আনা হয়েছে, তাঁরা হলেন ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী শারমিন হক আমীর, সাবেক রাজস্ব পরিদর্শক মিঞা মো. মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান, রাজস্ব পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন, প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম শ্যামল বিশ্বাস, উপসচিব শেখ এনায়েত উল্লাহ ও উপপ্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সালেকুর রহমান। মামলার আরজিতে অভিযোগ আনা হয়, ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ছয়টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খানের প্রত্যক্ষ মদদে ও নির্দেশে অপর আসামিরা টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন