বিজ্ঞাপন

এ মানববন্ধনের ব্যানারে মোট চার দফা দাবির কথা লেখা ছিল। এগুলো হলো, অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হাফিজুর রহমানের মৃত্যুরহস্য উদ্‌ঘাটন ও দায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা, ২৯ মের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আর না বাড়ানো, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে হল খুলে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুরো ক্যাম্পাসকে সিসিটিভির আওতায় আনা ও নিয়মিত নজরদারিতে রাখা।

মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ছাত্র মুহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন বলেন, দেশে সবকিছুই চলছে, শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এটা কেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনলাইনে চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার কথা ভাবছে। যেখানে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ও হল খোলার পক্ষে, সেখানে এই সিদ্ধান্ত স্বৈরতান্ত্রিক। অধিকাংশ শিক্ষার্থীরই স্মার্টফোন কিংবা উপযুক্ত ডিভাইস ও সুযোগ-সুবিধা নেই। অর্থনৈতিক সমস্যায় ভুগছেন অনেকে, অনেকের মধ্যে মানসিক সমস্যা, হতাশাও তৈরি হচ্ছে। বলা হচ্ছে, করোনার টিকা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। অথচ টিকার জন্য যে আবেদন নেওয়া হলো, সে ব্যাপারে কোনো কার্যক্রমই নেই। কত বছর এভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে? দ্রুত সিদ্ধান্ত হোক, জুনের ১ তারিখ থেকে ক্যাম্পাস ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে।

default-image

আরবি বিভাগের ছাত্র ইব্রাহিম নাফিজ বলেন, গত ১৫ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী নিজ নিজ এলাকায় নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সবকিছু যেখানে চলছে, সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন বন্ধ? শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজ কী? তারা কি শিক্ষার্থীদের কথা ভাববে না?

মানববন্ধনের অন্যতম আয়োজক ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আগামীকাল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যে সংবাদ সম্মেলন রয়েছে, সেখানে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার ব্যাপারে নির্দেশনা আসবে বলে আমরা আশা করি। নির্দেশনাটি দেখার পর আমরা দাবি আদায়ে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

এই মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ওবায়দুল হক, ফাতেমা হাফিজ, মোয়াজ্জেম হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন