বহিষ্কৃত ছাত্ররা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের মাসফিউর রহমান, অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সফিউল্লাহ সুমন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের নাঈমুর রাশিদ, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাব্বির আল হাসান ওরফে কাইয়ুম, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মো. ফিরোজ আলম ওরফে অপি এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের আবদুল্লাহ আল মারুফ৷ তাঁদের মধ্যে সফিউল্লাহ, নাঈমুর ও সাব্বির তৃতীয় বর্ষে আর অন্যরা দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত৷ তাঁরা সবাই বিজয় একাত্তর হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীবুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত৷

গত ২৬ মার্চ সকালে বিজয় একাত্তর হলের পদ্মা ব্লকের ২০১০ নম্বর কক্ষে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ভুক্তভোগীরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আখলাকুজ্জামান অনিক ও একই বর্ষের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের ছাত্র মো. রাজীব আহমেদ৷ ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়ে সেদিনই হল প্রশাসন পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে৷

আজ সোমবার বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ আবদুল বাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্নাতকোত্তরের ছাত্র আখলাকুজ্জামান ও রাজীবের ওপর নৃশংস হামলা ও মাথায় আঘাত করার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ঘটনার সঙ্গে ছয়জনের সংশ্লিষ্টতার ‘দালিলিক প্রমাণ’ পেয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয় তথা হলের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কর্মকাণ্ড ও শৃঙ্খলাপরিপন্থী৷ তদন্ত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ছাত্রদের ৩ এপ্রিল হল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো৷

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন