বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

টিআইবির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো শাহজাদা এম আকরাম আজ গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
বাংলাদেশে ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন হয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত একটি পথ সৃষ্টি হয়।

টিআইবির গবেষণায় ১৯২টি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দৈবচয়নের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। আর ২৫টি নির্দেশকের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তথ্যের ব্যাপ্তি, প্রবেশগম্যতা ও তথ্যের উপযোগিতা—এই তিন নিরিখে মূল্যায়ন করা হয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের স্বপ্রণোদিত তথ্যকে। সন্তোষজন, অপর্যাপ্ত ও উদ্বেগজনক—এই তিনভাবে মান নির্ণয় করা হয়েছে।

টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘সার্বিকভাবে দেখা যায়, অধিকাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠান এনজিওর থেকে তুলনামূলক ভালো স্কোর পেয়েছে। অধিকাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের ডিজাইন এবং প্রকাশিত তথ্যের ধরন খুব কাছাকাছি। কিন্তু এনজিওর ক্ষেত্রে এ রকম একক কোনো ডিজাইন/ফরম্যাট দেখা যায় না। এ ছাড়া এখনো এনজিওর ক্ষেত্রে আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট তথ্যসমূহ প্রকাশের চর্চা ও দৃষ্টান্তের ঘাটতি লক্ষণীয়।’

সার্বিকভাবে গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্ত স্কোরের বিন্যাস পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সন্তোষজনক (৬৭%–এর ওপর) স্কোর পেয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠান, তবে কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানই সন্তোষজনক স্কোর পায়নি। অন্যদিকে, প্রায় ৮ দশমিক ৫ শতাংশ সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ৯৪ দশমিক ৯ শতাংশ এনজিওর স্কোর উদ্বেগজনক (০-৩৩%) অবস্থানে রয়েছে।
সরকারের মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়, পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় সবচেয়ে এগিয়ে।

কম স্কোর হলেও এনজিওগুলোর মধ্যে এগিয়ে কোস্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল ট্রান্সফরমেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন এবং গণ উন্নয়ন কেন্দ্র।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তথ্য প্রকাশ স্বচ্ছতার একটি নমুনা। প্রতিষ্ঠানগুলো যদি তাদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চায়, তবে তাদের স্বচ্ছ হতে হবে।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর এগিয়ে থাকা তাঁকে বিস্মিত করেছে বলেও মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন