বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে প্রার্থীর ব্যক্তিগত রিপোর্ট নেতিবাচক হলে সে ক্ষেত্রে নিয়োগ পাবেন না বলে রায়ে বলা হয়েছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত এ কথা জানান। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘ব্যক্তিগত রিপোর্ট বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে। কেননা, কারও বিরুদ্ধে মামলা বা অন্য কোনো অভিযোগ থাকতে পারে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে।’

৩৬, ৩৭ ও ৩৯তম বিসিএস পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগবঞ্চিত ৮৪ জন ২০২০ সালে পৃথক রিট করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে একই বছরের বিভিন্ন রুল দেন হাইকোর্ট।

নিয়োগের জন্য প্রকাশিত গেজেটে রিট আবেদনকারীদের নাম বাদ দেওয়া কেন বেআইনি হবে না, তাঁদের নিয়োগ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা রুলে জানতে চাওয়া হয়। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় দেওয়া হলো।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া ও মো. মিজানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত।

রায়ের পর আইনজীবী মো. ছিদ্দিক উল্যাহ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, তিনটি বিসিএসে লিখিত-মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮৪ জনকে চিকিৎসক, প্রশাসন, শিক্ষা, পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের সুপারিশ করে পিএসসি। তবে কোনো কারণ ছাড়াই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত নিয়োগের গেজেটে তাঁদের নাম বাদ পড়ে। এর বৈধতা নিয়ে ৩৬তম বিসিএসের ১০ জন, ৩৭তম বিসিএসের ৩৮ জন ও ৩৯তম বিসিএসের ৩৬ জন পৃথক চারটি রিট করেন। হাইকোর্ট ওই তিনটি বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত ৮৪ জনকে নিয়োগ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন