কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ১৫১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯৫৮ জন শিক্ষক মার্চ থেকে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার গাফিলতির কারণে শিক্ষকেরা এ সমস্যায় পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাঁরা আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য গতকাল সোমবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হারুনুর রশিদের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।
ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ ২০১৪ সালের টাইম স্কেল ও বকেয়া বেতন-ভাতার নথিপত্র ঠিক করেননি। এ কারণে দুই মাস ধরে তাঁদের বেতন বন্ধ রয়েছে। বাংলা নববর্ষের উৎসব ভাতাও তাঁরা পাননি। চলতি মাসের ১৫ দিন পেরিয়ে গেছে, এখনো গত দুই মাসের বেতন ও বকেয়া বিলের খবর নেই। শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে গেলেও তিনি সদুত্তর দিতে পারেন না। এ অবস্থায় পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে তাঁরা বেকায়দায় পড়েছেন।
উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবদুল হক বলেন, মার্চ থেকে তাঁরা বেতন পাচ্ছেন না। শিগগিরই বেতন-ভাতার ব্যবস্থা না করা হলে তাঁরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের বেতন চালু রাখার বিধান রয়েছে। কেন মার্চ মাস থেকে তাঁরা বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কারও গাফিলতি আছে কি না সেটি তদন্ত করে বের করা হবে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0