বিজ্ঞাপন

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্রের তথ্যমতে, দ্বিতীয় দফায় এই কার্যক্রম শুরুর পর ৪ মে পর্যন্ত ১৬ কার্যদিবসে সারা দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ৫১ হাজার ৮৮২টি মামলায় জামিনের আবেদন ভার্চ্যুয়াল শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়। আবেদনের বিপরীতে ২৭ হাজার ৮৪৪ জন আসামি জামিন পেয়েছেন। এর মধ্যে ৩৬৭টি শিশু রয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, ভার্চ্যুয়াল শুনানির মাধ্যমে ৪ মে সারা দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ৩ হাজার ৮৮টি ফৌজদারি মামলায় জামিন আবেদন নিষ্পত্তি হয়, যেখানে ১ হাজার ৫৩৬ জন জামিন পান।

এর আগে গত বছরের ১১ মে থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রথম দফায় ৫৮ কার্যদিবসে সারা দেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ভার্চ্যুয়াল শুনানিতে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৩৯টি ফৌজদারি মামলায় জামিনের আবেদন নিষ্পত্তি হয়, যেখানে ৭২ হাজার ২২৯ জন জামিন (শিশু আদালতসহ) পান।

ভার্চ্যুয়াল জামিন শুনানির পূর্বাপর

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত বছরের ৯ মে ‘আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ, ২০২০’ শিরোনামে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। ফলে অডিও-ভিডিও বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে শারীরিক উপস্থিতি ছাড়া ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে বিচারকাজ পরিচালনার সুযোগ তৈরি হয়। অধ্যাদেশটি পরে আইনে পরিণত হয়। অধ্যাদেশের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে এ বিষয়ে প্রাকটিস নির্দেশনা (ব্যবহারিক দিক নির্দেশনা) প্রকাশ করা হয়। গত বছরের ১১ মে থেকে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

পরবর্তী সময়ে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে অধস্তন আদালতে শারীরিক উপস্থিতিতে কার্যক্রম শুরু হয়। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ভার্চ্যুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে শুধু জামিন ও অতি জরুরি ফৌজদারি দরখাস্ত নিষ্পত্তির জন্য অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালে ১২ এপ্রিল থেকে কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে আগের দিন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সে অনুসারে ১২ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় ওই কার্যক্রম শুরু হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন