বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দৃষ্টিশক্তির বিষয়ে ছোট একটি পরীক্ষা করা যায়। কার্ডবোর্ডে পিন দিয়ে ছিদ্র করুন। এক চোখ বন্ধ করে দূরের জিনিসের দিকে তাকাতে বলুন। এবার জিনিসটি ছিদ্রের মধ্য দিয়ে দেখান। আগের তুলনায় স্পষ্ট দেখলে বুঝবেন দৃষ্টিশক্তি বেড়ে গেছে। শিশু যদি সোজা জিনিস বাঁকা, চৌকো জিনিস এবড়োখেবড়ো বা গোল জিনিস ডিম্বাকার দেখে, বুঝতে হবে ‘সিলিনড্রিক্যাল পাওয়ার’ বেড়ে গেছে।

বয়স ৪০ বছরের পর বইপত্র পড়তে চশমা লাগে। যাঁরা আগে মাইনাস পাওয়ারের চশমা পরে বই পড়তেন, তাঁরা হঠাৎ অসুবিধা বোধ করেন। কারণ, ৪০ বছরের পর কাছের পাওয়ার নির্ভর করে দূরের পাওয়ারের ওপর। কাছের পাওয়ার +১ এবং দূরের পাওয়ার +১ হলে চশমার কাছের পাওয়ার হবে +১ +১ = ২। আর দূরের পাওয়ার -১ হলে সামনের পাওয়ার দাঁড়াবে +১ -১ = ০। অর্থাৎ খালি চোখে বই পড়া বা সুতায় সুচ পরানো যাবে।

দৃষ্টিশক্তি বয়সের সঙ্গে কমবেশি হওয়াটা স্বাভাবিক। বছরে এক-দুবার দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করে চশমার পাওয়ার সমন্বয় করতে হবে।

৪০ বছরের ব্যক্তিদের বই পড়তে প্লাস পাওয়ারের চশমা লাগত। ৫০ বছরের পর দেখা গেল খালি চোখেই তিনি পড়তে পারছেন। ডায়াবেটিস বা ছানি দেখা দিয়েছে কি না, তা দেখুন। দুই ক্ষেত্রেই চোখে খানিকটা মাইনাস পাওয়ার আসে। ফলে প্লাসে মাইনাসে সামঞ্জস্য হয়ে যায়।

কাজেই দৃষ্টিশক্তি বয়সের সঙ্গে কমবেশি হওয়াটাই স্বাভাবিক। এমন নয় যে চশমার পাওয়ার কেবল বাড়তেই থাকবে। তাই নিয়মিত বছরে এক-দুবার দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করে চশমার পাওয়ার সমন্বয় করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন