ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয় উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, কেউ কেউ এটিকে রাজনীতিতে টেনে আনেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছেন। তাঁর উচিত ছিল জেনেশুনে এ বিষয়ে কথা বলা। কিন্তু তিনি এটিকে রাজনৈতিক ইস্যু বানানোর চেষ্টা করেছেন। সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি নিয়ে আসা ঠিক না।

ওটিটি প্ল্যাটফর্মের অংশীজনদের ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘অতীতে দেখেছি, ওটিটির এমন কিছু বিষয় আমাদের লোকজন ও তরুণ প্রজন্মের কাছে এসেছে, যেগুলো আমাদের মূল্যবোধে আঘাত হানে। শুধু তা-ই নয়, অনেকগুলো পর্নোগ্রাফির কাছাকাছিও ছিল; যেগুলো নিয়ে পত্রপত্রিকায় অনেক সমালোচনা হয়েছে। তখন একটি নীতিমালার দাবি উঠেছিল।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘ইতিমধ্যে দেশে কয়েকটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কার্যক্রম শুরু করেছে ও আস্তে আস্তে ভালো করছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম অনেক বড়, প্রতিটি কনটেন্ট দেখে সেন্সরের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। সে জন্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা একটি নীতিমালা তৈরি করেছি। খসড়াটি ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে, আরও মতামত নেওয়া হচ্ছে। এরপর এটি চূড়ান্ত হবে।’

মতবিনিময় সভায় ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘আমাদের ঐতিহ্য, গৌরবোজ্জ্বল সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ সবই নাটকের মাধ্যমে ওটিটি কনটেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরতে চাই। সে জন্য একটি জাতীয়ভাবে নীতিমালা অবশ্যই প্রয়োজন আছে।’

এ সময় নাট্যকার সংঘের সভাপতি এস এম হারুন অর রশীদ, টেলিভিশন অ্যান্ড ডিজিটাল প্রডিউসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ডিরেক্টরস গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান, সদস্য এস এ হক, টেলিপ্যাব সদস্য ও চলচ্চিত্র নির্মাতা সরদার সানিয়াত হোসেন বক্তব্য দেন।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খাদিজা বেগম, সুবর্ণ প্রকাশনীর কর্ণধার শাহরীন হক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গিয়াস উদ্দিন ও এ এস এম নাজমুল হক, লেখক মোস্তফা কামাল পাশা প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন