default-image

দেশের জল ও স্থলভাগের সুনির্দিষ্ট আয়তন জানাতে পারেননি ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।

আজ রোববার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারি দলের সাংসদ এম আবদুল লতিফ ভূমিমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, দেশে জলভাগ ও স্থলভাগের পরিমাণ কত।

জবাবে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সূত্রে বা অন্য কোনো সরকারি সংস্থার কাছ থেকে সুনির্দিষ্টভাবে জলভাগ ও স্থলভাগের আয়তন–সম্পর্কিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে দেশের জনগণের কল্যাণে স্থলভূমি অর্থাৎ কৃষিজমি, বনভূমি এবং জলাভূমি সংরক্ষণের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

বিজ্ঞাপন

জামালপুর-৫ আসনের সাংসদ মোজাফফর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী জানান, ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষিজমির মোট পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর, অর্থাৎ ২৫ বিঘা পর্যন্ত হলে কোনো ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হয় না। ওই মওকুফের আওতায় ইক্ষু আবাদ, লবণ চাষের জমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্য চাষ ব্যতীত) অন্তর্ভুক্ত হবে। ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফের আওতাধীন কৃষিজমির সংশ্লিষ্ট প্রতিটি হোল্ডিংয়ের জন্য আবশ্যিকভাবে বার্ষিক ১০ টাকা হারে আদায় করতে হবে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ মনিরা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন জানান, বর্তমানে বনের পরিমাণ সারা দেশের ভূমির ১৪ দশমিক ১০ শতাংশ। বৃক্ষাচ্ছাদনের পরিমাণ দেশের মোট আয়তনের ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

জাতীয় পার্টির সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারীর প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক জানান, দেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৪৭ জনের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৮ জন সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী জানান, ৩৩ ধরনের প্রমাণের যেকোনো একটিতে নাম থাকলেই বীর মুক্তিযোদ্ধারা ভাতা প্রাপ্য হবে। এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। সেটি যাচাই-বাছাই শেষে চূড়ান্ত করার পর ভাতা প্রাপ্য হবেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন