রাজধানীর তেঁজগাওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার এ বৈঠক। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বর্তমানে কাজের পরিমাণ যেভাবে বেড়েছে, তাতে বিদ্যমান দুটি একাডেমি পর্যাপ্ত নয়। এ জন্য আরও দুটি আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়েছে। এ দুটি একাডেমিও বার্ড ও আরডিএর আদলেই পরিচালিত হবে।

একাডেমি পরিচালনায় একটি বোর্ড থাকবে। ২১ সদস্যবিশিষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকবেন পদাধিকারবলে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান হবেন পদাধিকারবলে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব। আর বোর্ডের সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন একাডেমির মহাপরিচালক। মহাপরিচালক হবেন যুগ্ম সচিব বা তার ওপরের পর্যায়ের কেউ। চার মাসে একবার বোর্ডের সভা হবে।

এই একাডেমির কাজ হবে মূলত সক্ষমতা তৈরি করা। পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষণা করা হবে। এ ছাড়া পল্লী উন্নয়ন বা সংশ্লিষ্ট কিছু বিষয়ে ডিপ্লোমাও করা যাবে এখানে। পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন, সার্টিফিকেট কোর্সেরও সুযোগ থাকবে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধিভুক্ত থাকবে। এ ছাড়া প্রফেশনাল প্রশিক্ষণও দেবে এই একাডেমি।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবা নীতিমালা ২০২২–এর খসড়াও অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রী। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আগেও একটি ছিল, তবে এত সুনির্দিষ্ট ছিল না। এই নীতিমালার প্রস্তাব স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে করা হলেও মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হয় এ–সংক্রান্ত কাজের নেতৃত্বে থাকবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন