শুরুতেই দেখা যাক, প্রতিবেশী দেশ ভারত কীভাবে করোনাকালে পাবলিক পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করেছে। দেশটিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপরই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আগেই ভারতে ২০২০ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ হয়ে গিয়েছিল। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। তবে কয়েকটি বিষয়ে পরীক্ষা বাকি থাকা অবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে দেশটির সরকার। ফলে বাকি বিষয়গুলোর পরীক্ষা আর নেওয়া যায়নি। অসমাপ্ত উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় মূল্যায়নের ক্ষেত্রে ভারতে একটি কৌশল নেওয়া হয়েছিল, সেটি হলো দ্বাদশ শ্রেণির বাছাই পরীক্ষার (টেস্ট) ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে করোনার কারণে পরীক্ষা নিতে না পারা বিষয়ের মূল্যায়ন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। বিশেষ করে অতিসংক্রামক ডেলটা ধরন ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে ব্যাপকভাবে। এতে দেশটিতে গত বছর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ভারতে প্রতিটি রাজ্যের নিজস্ব শিক্ষা বোর্ড রয়েছে। শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বিষয়ে সব কটি বোর্ডকে একক নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব হয়নি। রাজ্যগুলো নিজেদের মতো করে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের উদাহরণটি দেওয়া যাক। এই রাজ্যে ২০২১ সালের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হলে প্রায় ২১ লাখ পরীক্ষার্থী অনিশ্চয়তার পড়ে। কীভাবে মূল্যায়ন হবে, তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পড়েন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। পরে গত বছরের ১৮ জুন রাজ্যের শিক্ষা বোর্ড মধ্য শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানায়, মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ৫০: ৫০ ফর্মুলায় মূল্যায়ন করা হবে। অর্থাৎ, নবম শ্রেণির পরীক্ষার ফল থেকে ৫০ শতাংশ নম্বর ও দশম শ্রেণির অভ্যন্তরীণ পরীক্ষা (অ্যাসেসমেন্ট) থেকে ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়।

এই পদ্ধতিতে উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রে ২০১৯ সালের মাধ্যমিকে যে চার বিষয়ে পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে, তার ওপর ৪০ শতাংশ এবং ২০২০ সালের একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায় (থিওরি বা তত্ত্বীয়) প্রাপ্ত নম্বরের ৬০ শতাংশ নিয়ে মূল্যায়ন করা হয়। রাজ্যের শিক্ষা বোর্ড মধ্য শিক্ষা পর্ষদ ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ জানিয়েছিল, মূল্যায়নে কোনো পরীক্ষার্থী অসন্তুষ্ট হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর লিখিত পরীক্ষা দিতে পারবে। সে ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। তখন আর মূল্যায়নের নম্বর কার্যকর থাকবে না।

নোবেলজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন প্রতিষ্ঠিত প্রতীচী ট্রাস্টের গবেষক সাবির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে গত বছর পশ্চিমবঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের যেভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে, তাতে প্রায় সবাই পাস করেছে। সবাই ওপরের শ্রেণিতে উঠে গেছে। কিন্তু এ ধরনের মূল্যায়ন সব শিক্ষার্থীর জন্য ন্যায্য হয়নি। ফলে কারও কারও মনে একটা দাগ রয়ে গেছে।

পাকিস্তান, নেপাল ও ভুটান

করোনা মহামারির কারণে পাকিস্তানে ২০২০ সালের বোর্ড পরীক্ষা বাতিল করা হয়। পরীক্ষা না নিয়ে সব শিক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়। ২০২১ সালে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার নিয়ে দেশটির শিক্ষার্থীরা একটি দোদুল্যমান পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। পরে পাকিস্তান সরকার জানায়, শুধু বিভাগভিত্তিক বিষয়ে পরীক্ষা হবে। অর্থাৎ, বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী বিজ্ঞানের বিষয়গুলোয় পরীক্ষা দেবে। মানবিক ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর হবে। গত ১৩ অক্টোবর পাকিস্তানের দ্য নেশন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, পরীক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলক বিষয়গুলোর নম্বর গণনার ক্ষেত্রে বিভাগভিত্তিক বিষয়ের গড় নম্বর বিবেচনায় নেওয়া হবে।

অবশ্য পরে পাকিস্তান সরকার জানায়, পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়া সব পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হবে। এমনকি কেউ কেউ যদি কোনো বিষয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার মতো নম্বর না পায়, তাকে প্রয়োজনীয় নম্বর (৩৩) দিয়ে দেওয়া হবে। গত ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের দ্য ডন পত্রিকার এ বিষয়ে এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশটির আন্তপ্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রীদের সম্মেলনে (আইপিইএমসি) এমন সিদ্ধান্ত হয়। এই সম্মেলনে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী শাফকাত মাহমুদ সভাপতিত্ব করেন।

সম্মেলনে অভিমত আসে যে করোনা মহামারিতে শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থীরা ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেনি। তাই তাদের ছাড় দেওয়া উচিত।

নেপালে করোনার কারণে গত বছরের দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষা দুই দফায় স্থগিত হয়। পরে গত সেপ্টেম্বর মাসে সশরীর এই পরীক্ষা নেওয়া হয় বলে বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়। তাদের খবরে আরও জানানো হয়, পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়। এক বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসানো হয়। পরীক্ষার ক্ষেত্রে পাঠ্যসূচি কমানো হয়নি।

ভুটানে সাধারণত ডিসেম্বর মাসে বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। করোনার কারণে দেশটি ২০২১ সালের বোর্ড পরীক্ষা স্থগিত করেছিল। গত সোমবার ভুটানের পত্রিকা বিজনেস ভুটান জানায়, এই পরীক্ষা ১২ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া

করোনাকালে যুক্তরাষ্ট্রের স্কুলগুলোর পাঠ্যসূচি ও কারিকুলামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। নিউইয়র্কের শিক্ষা বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন এইচ বি রিতা প্রথম আলোকে জানান, করোনাকালে স্কুলে এক শ্রেণি থেকে অন্য শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও পরীক্ষা অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভার্চ্যুয়ালি অব্যাহত ছিল। উচ্চমাধ্যমিক ও পরবর্তী পর্যায়ের পর্বটি বিভিন্ন উপায়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কোর্স বা পরীক্ষায় কোনো কাটছাঁট করা হয়নি। কোনো ধরনের ছাড় দিয়ে কোনো শিক্ষার্থীকে পরবর্তী শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হয়নি। যাদের বাড়িতে পড়ালেখার জন্য কম্পিউটার ছিল না, তাদের স্কুল থেকে ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে।

করোনার মধ্যে গত দুই বছর অস্ট্রেলিয়ায় সশরীর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে জানান, ২০২০ সালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাসময়ে যথানিয়মে পরীক্ষা হয়। আর ২০২১ সালে শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় এনে পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে সিলেবাস বা অন্য কোনো বিষয়ে ছাড় দেওয়া হয়নি।

জার্মানি ও যুক্তরাজ্য

ইউরোপের দেশ জার্মানিতে প্রতিবছর এপ্রিল মাসে দ্বাদশ শ্রেণির স্কুলে ফাইনাল পরীক্ষা হয়। আর এই পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয় জুনে। করোনার মধ্যে গত বছর জার্মানিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাসময়ে সশরীর দ্বাদশ শ্রেণির স্কুল ফাইনাল পরীক্ষা হয়েছে। করোনার মধ্যে পরীক্ষা হলেও পাঠ্যসূচি বা বিষয় কমানোর মতো কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি।

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্য একটি। মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে দেশটিতে জেনারেল সার্টিফিকেট অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (জিসিএসই) এবং এ লেভেল পরীক্ষা হয়নি। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা আগের পরীক্ষায় কেমন ফল করেছিল, তার ওপর ভিত্তি করে তাদের নম্বর বা গ্রেড দিয়েছেন শিক্ষকেরা। তবে শিক্ষার্থীদের এভাবে মূল্যায়ন করতে গিয়ে শিক্ষকদের বেশ ঝামেলায় পড়তে হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে দেশটির গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

বাংলাদেশ

দেশে করোনার কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ওই বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে হয়েছিল। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়। এতে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে সাড়ে ১৩ লাখের বেশি শিক্ষার্থী। ২০২০ সালে জেএসসি ও এসএসসির গড় ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হয়। ভিন্নভাবে করা এই মূল্যায়নে সব শিক্ষার্থী পাস করে। যদিও এ পদ্ধতির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্নমত দেখা যায়।

২০২১ সালে এসএসসি ও এইচএসসিতে (সমমানসহ) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তবে তা যথাসময়ে নেওয়া যায়নি এবং সব বিষয়ে পরীক্ষা হয়নি।

দেশে সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। কিন্তু গত বছর নির্ধারিত সময়ের সাড়ে আট মাস পর নভেম্বর মাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়। পাঠ্যসূচি ছিল সংক্ষিপ্ত। কম নম্বর ও কম সময়ে শুধু বিভাগভিত্তিক (বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা ইত্যাদি) তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে এসএসসি পরীক্ষা হয়। বাকি বিষয়ের মূল্যায়ন হয় জেএসসি ও সমমানের বিভিন্ন বিষয়ের নম্বরের ভিত্তিতে। গত ৩০ ডিসেম্বর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, গড় পাসের হার প্রায় ৯৪ শতাংশ, যা আগের বছরের চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি। মোট জিপিএ-৫ পায় ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮৪০ শিক্ষার্থী। পাঁচ বছরের মধ্যে এই সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ।

এইচএসসি পরীক্ষাও হয় ডিসেম্বরে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় আট মাস পর। পুনর্বিন্যাস করা সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিতে শুধু বিভাগভিত্তিক তিনটি বিষয়ে ছয়টি পত্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রে তুলনামূলক বেশি প্রশ্ন থেকে কম প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সুযোগ ছিল। অন্য বিষয়গুলো জেএসসি ও এসএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ‘বিষয় ম্যাপিং’ করে মূল্যায়ন করা হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। দেখা যায়, পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পান ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫২২ জন। পাসের হার ও জিপিএ-৫–এর সংখ্যা বিগত অন্তত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

সীমিত পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ছিল যে এটা মন্দের ভালো। শিক্ষকেরা বলেছেন, এই পরিস্থিতির জন্য শিক্ষার্থীরা দায়ী নয়। বরং তারা ভুক্তভোগী।

‘ঘাটতি পূরণে উদ্যোগ নিতে হবে’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান মনে করেন, মহামারির মধ্যে শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সব দেশেই কমবেশি প্রভাব পড়েছে। তবে যেসব দেশের শিক্ষা অবকাঠামো আগে থেকেই শক্তিশালী, তারা পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো দেশ, যাদের অবকাঠামো দুর্বল, তারা মারাত্মক ক্ষতির শিকার হয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কমানোর সুযোগ ছিল।

হাফিজুর রহমান বলেন, ২০২০ সালে এইচএসসিতে একেবারেই পরীক্ষা না নিয়ে সব শিক্ষার্থীকে পাস করানোর বিষয়টি ঠিক হয়নি। ২০২১ সালে বাংলা ও ইংরেজিসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে পরীক্ষা হয়নি। ফলে এই বিষয়গুলো শিক্ষার্থীরা পড়েনি, কিংবা পড়লেও খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি। ফলে ঘাটতি থাকা স্বাভাবিক।

শিক্ষার্থীরা পরবর্তী শ্রেণির শিক্ষা কার্যক্রমে সমস্যার মুখে পড়তে পারে উল্লেখ করে হাফিজুর রহমান বলেন, ঘাটতি পূরণে এখনই পরিকল্পনা করে তার বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। দায়িত্বটা পুরোপুরি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)। স্নাতক পর্যায়ে উন্নীত শিক্ষার্থীদের জন্য মৌলিক বিষয়ে সংক্ষিপ্ত কোর্সের ব্যবস্থা করতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

[প্রতিবেদনটি তৈরিতে কামাল আহমেদ (যুক্তরাজ্য), সরাফ আহমেদ (জার্মানি), সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় (ভারত) ও দেবারতি ভট্টাচার্যের (ভারত) সহায়তা নেওয়া হয়েছে।]

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন