বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জ্বালানি তেলের মূল্য স্থিতিশীল রাখার দাবিতে গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে সারা দেশে পরিবহনমালিক ও শ্রমিকেরা ধর্মঘটে নেমেছেন। এ ধর্মঘটের ইতিমধ্যে দুই দিন গড়িয়েছে। ধর্মঘটের কারণে আমদানি করা পণ্য নিয়ে যানবাহন গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না।

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দীন গাজী প্রথম আলোকে বলেন, ‘সরকার হঠাৎ ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়েছে, যা অস্বাভাবিক। তেলের দাম স্থিতিশীল রাখার দাবিতে আমরা ধর্মঘট পালন করছি। বিষয়টির সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত এই ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।’ তিনি জানান, বন্দর থেকে পণ্য নিয়ে দুই দিনে কোনো ট্রাক ছেড়ে যায়নি। যে কারণে পণ্য নিয়ে অন্তত ৪০০টি ট্রাক বন্দরে দাঁড়িয়ে আছে। বন্দরে তীব্র পণ্যজটের সৃষ্টি হয়েছে।

default-image

জানতে চাইলে বেনাপোল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘শনিবার ছুটির দিন হওয়ায় বন্দরে চাপ কম থাকে। তারপরও আজ ১৭টি পণ্য চালান ছাড় করা হয়েছে। সেসব পণ্য নিয়ে এখনো কোনো ট্রাক বন্দর ছেড়ে যায়নি। এ অবস্থা চলতে থাকলে আগামীকাল রোববার থেকে আমরা পণ্য রাখার কোনো জায়গা দিতে পারব না। বন্দরে অচলাবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।’

এদিকে আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত হাজারখানেক যাত্রী ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েক শ যাত্রী বন্দর এলাকায় আটকা পড়েছেন। ভারত থেকে ফেরা যাত্রীদের মধ্যে গুরুতর রোগীও রয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁরা ভারতে গিয়েছিলেন। দেশে ফিরে যানবাহন না পেয়ে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছানো নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে অনেকে স্থানীয় আবাসিক হোটেল বা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে থেকে যাচ্ছেন। আবার অনেকে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মাইক্রোবাসে করে গন্তব্যে ফেরার চেষ্টা করছেন।

জানতে চাইলে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাজু প্রথম আলোকে বলেন, গত বৃহস্পতিবার বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ১ হাজার ৩৩৯ জন যাত্রী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আসা-যাওয়া করেছেন। ধর্মঘটের কারণে আজ যাত্রীর চাপ একটু কম ছিল। তারপরও আজ এক হাজারের মতো যাত্রী আসা-যাওয়া করেছেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন