পরে আইনজীবী তাসমিয়াহ নুহিয়া আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ছেলেশিশু তথা পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। অথচ এমন নির্যাতনকে ধর্ষণের অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাচ্ছে না। কেননা, ৩৭৫ ধারায় ভুক্তভোগী হিসেবে শুধু নারীর কথা বলা আছে। তাই দণ্ডবিধির ৩৭৫ ধারা সংশোধন করে ‘নারী ধর্ষণ’–এর অপরাধের পাশাপাশি লিঙ্গবৈষম্য দূর করতে যেকোনো ব্যক্তিকে ধর্ষণের সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করতে নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়। লিঙ্গবৈষম্য থাকার কারণে ৩৭৫ ধারা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল হয়েছে।

আইনসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটের ভাষ্য, ৩৭৫ ধারায় শুধু পুরুষ দ্বারা নারীদের ধর্ষণের বিষয় আছে। এখানে সম্মতি ছাড়া নারীদের দ্বারা নারী, নারীর দ্বারা পুরুষ, পুরুষ দ্বারা পুরুষ এবং একজন ট্রান্সজেন্ডার দ্বারা আরেক ট্রান্সজেন্ডারের যৌন নিপীড়নের বিষয়টি নেই।