বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিআইডির ভাষ্যমতে, রাজু বলেছেন, তাঁর কাছে ধারের পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়েছিলেন নারায়ণ। এ সময় তাঁর সঙ্গে নারায়ণের ঝগড়া হয়। এই বিবাদের জেরে তিনি নারায়ণকে সেলুনের ক্ষুর দিয়ে খুন করেন।

রাজুর কাছে নারায়ণ কত টাকা পেতেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি সিআইডি।

১৫ সেপ্টেম্বর রাতে চাঁদপুরে ব্যবসায়ী নারায়ণ খুন হন। পরদিন সকালে স্থানীয় বিপণিবাগ মার্কেট এলাকার পানির পাম্প স্টাফ রুমের কাছ থেকে তাঁর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার হয়। এদিনই তাঁর ছেলে রাজীব ঘোষ বাদী হয়ে রাজুর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

সিআইডির লফুল ইন্টারসেপশন সেলের (এলআইসি) বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, নারায়ণ দই-মিষ্টি ইত্যাদি বিক্রি করতেন। পাশাপাশি তিনি লোকজনকে টাকা ধার দিতেন। কয়েক মাস আগে তাঁর কাছ থেকে টাকা ধার নেন রাজু। তারপর আর তিনি টাকা ফেরত দিচ্ছিলেন না। ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে নারায়ণকে সেলুনে এসে পাওনা টাকা নিয়ে যেতে বলেন রাজু। রাতে সেলুনে যান নারায়ণ। সেখানে তাঁর সঙ্গে রাজুর কথা-কাটাকাটি হয়। পরে ক্ষুর দিয়ে নারায়ণকে হত্যা করেন রাজু।

সিআইডি জানায়, হত্যার পর রাজু বাসা থেকে বস্তা আনেন। নারায়ণের লাশ বস্তায় ভরে টানতে টানতে পাশের একটি পানির পাম্পের স্টাফ রুমের পূর্ব পাশের গলির ভেতর নিয়ে রাখেন। ফিরে এসে দিবাগত রাত একটায় তিনি সেলুন ধুয়েমুছে পরিষ্কার করেন। গভীর রাতে সেলুন ধোয়ার দৃশ্য দেখেন নৈশপ্রহরী ইসমাইল। এত রাতে রাজু দোকানে কী করছেন, এ কথা জানতে চান ইসমাইল। তখন রাজু বলেন, পরদিন তাঁদের একটি ধর্মীয় উৎসব আছে। তাই পুরোনো কাপড়সহ ময়লা জিনিসপত্র বস্তায় ভরছেন।

সিআইডি বলছে, ওই রাতেই রাজু এলাকা ছেড়ে প্রথমে ঢাকায় ও পরে সুনামগঞ্জে চলে যান। সেখান থেকে তিনি যান সিলেট। হত্যাকাণ্ডের পরদিন সেলুনমালিক দোকানে ঢুকে বুঝতে পারেন, ভারী কিছু একটা তাঁর দোকান থেকে টেনে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সিআইডি জানিয়েছে, রাজুকে আজ আদালতে হাজির করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন