বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আলমপুর গ্রামের ঘরে ঘরে নারীরা সুই-সুতা হাতে নকশিকাঁথা সেলাইয়ে ব্যস্ত। বানাইচ গ্রামের নাদিয়া আকতার ছয়টি কাঁথা নিয়ে জোবেদা আক্তারের মাধ্যমে বিক্রি করতে এসেছিলেন। তিনি বলেন, তিন মাসে ৬টি নকশিকাঁথা সেলাই করেছেন। এর মধ্যে গোলাপের ফুলতোলা একটি ‘গোলাপকাঁথা’। এতে খরচ পড়েছে ৪ হাজার টাকার মতো। অন্যগুলো ‘গুজরাটি কাঁথা’, ‘পার্টি কাঁথা’ ও ‘বিস্কুটকাঁথা’। এসব কাঁথায় খরচ পড়েছে ২ হাজার টাকার মতো। পাইকারি পর্যায়ে একেকটি ‘গোলাপকাঁথা’ কাজভেদে বিক্রি হয় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। অন্যগুলো বিক্রি হয় সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা।

নকশিকাঁথা সেলাইয়ে রকমফের রয়েছে। রান ফোঁড়, ডবল রান ফোঁড়, ডারনিং ফোঁড়, বেঁকি ফোঁড়, বখেয়া ফোঁড়, বোতামঘর, চেইন ফোঁড়, পখুরি, তারা ফোঁড় ইত্যাদি ফোঁড় বা সেলাইয়ে নকশিকাঁথা বোনা হয়।

নারী কারিগরেরা জানান, নকশিকাঁথার নকশার ওপর নানা নাম দেওয়া হয়। আছে গোলাপকাঁথা, ময়ূরের পাখাকাঁথা, বলকাঁথা, গুজরাটি কাঁথা, প্রিন্ট কাঁথা, পুঁটি মাছের ঝাঁক কাঁথা, মৌমাছির চাক কাঁথা, সুজনী কাঁথা, পাটি কাঁথাসহ অনেক নাম।

নারীরা জানান, নকশিকাঁথা সেলাইয়ে রকমফের রয়েছে। রান ফোঁড়, ডবল রান ফোঁড়, ডারনিং ফোঁড়, বেঁকি ফোঁড়, বখেয়া ফোঁড়, বোতামঘর, চেইন ফোঁড়, পখুরি, তারা ফোঁড় ইত্যাদি ফোঁড় বা সেলাইয়ে নকশিকাঁথা বোনা হয়। নকশিকাঁথা সেলাইয়ে এসব ফোঁড়ই মূল।

নকশিকাঁথার কারিগর নাহিদা আকতার বলেন, হাট-বাজারের তাঁতিদের কাছ থেকে রঙিন কাপড় এবং লাল, নীল, সবুজ, বেগুনি, হলুদ প্রভৃতি রঙিন সুতা কিনে এনে নকশিকাঁথা সেলাই করেন তাঁরা। কয়েকজন একসঙ্গে বসে গল্পে গল্পে নকশিকাঁথার কাজ করেন। অনুপম দক্ষতায় কাঁথার জমিনে ফুটে ওঠে নানা কারুকাজ। কোনো সময় কাঁথায় উঠে আসে দুঃখ-সুখের কাহিনি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন