বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বাক্ষর বহন করে চলেছে। নতুন নিয়মে পুলিশে কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বর্তমান আইজিপি মহোদয়ের ‘ব্রেইন চাইল্ড’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে শারীরিকভাবে অধিক সক্ষম, যোগ্য ও সৎ পুলিশ সদস্যের উন্নত সেবা পাওয়া যাবে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, নতুন নিয়মে বাংলাদেশ পুলিশে সাব–ইন্সপেক্টর, সার্জেন্ট ও কনস্টেবল নিয়োগের ফলে মেধা ও শারীরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে যোগ্যতর লোক আসবে। তিনি বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ এবং উন্নত দেশের নিয়োগ প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে পুলিশের নতুন নিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইজিপি নতুন নিয়োগ নীতিমালা অনুমোদন করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা নতুন সেবার দ্বার উন্মোচন করলেন। এর ফলে দেশের ১৮ কোটি মানুষ উপকৃত হবেন।’

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেন বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিগত এক দশকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক উন্নতি সাধন করেছে। বর্তমান আইজিপির নেতৃত্বে তা সর্বোত্তম অবস্থায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২০৪১ সালে উন্নত বাংলাদেশ গঠনেও পুলিশের ভূমিকা থাকবে—এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তিনি বলেন, পুলিশে নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ ও টেলিটকের মধ্যে এ চুক্তি ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

স্বাগত বক্তব্যে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শাহাবুদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্যের পাশাপাশি প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ পুলিশে বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, বাংলাদেশ পুলিশ এবং টেলিটকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন