আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশন তাদের আজ্ঞাবহ হয় উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘সরকারে আওয়ামী লীগ থাকলে সেখানে নির্বাচন কোনোভাবেই নিরপেক্ষ হবে না—এটাই ইউনিভার্সেল ট্রুথ (সর্বজনীন সত্য)। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ হয়েছে। যাঁরা নিয়োগ (নির্বাচন কমিশনার) পেয়েছেন, সরকার তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়েছিল। অনুগত বলেই তাঁদের নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। ওই সরকার নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবে। তার অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হলে তাতে আমরাসহ সব দল অংশগ্রহণ করব।’

নির্বাচন কমিশন নিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন নয়, জাতির দৃষ্টি এখন নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দিকে।’ তিনি বলেন, ‘একটা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার ব্যতীত এ জাতীয় নির্বাচন কমিশন নিয়ে আলোচনা করে কোনো লাভ নেই। কারণ, এখন যা হচ্ছে, তা লোকদেখানো।’

নির্বাচন করে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের হাতে কিছুই নেই উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, ‘ভোট চুরির সব মেশিনারিজ সরকারের হাতে। তাই আসল চোরকে সরাতে না পারলে সহযোগী চোরদের নিয়ে আলোচনা করে তো কোনো লাভ নেই। এর প্রয়োজনীয়তাও নেই।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন