বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মতিঝিলের শাপলা চত্বরে শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেওয়ায় দুই পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশেই যানজটের সৃষ্টি হয়।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা শাপলা চত্বর থেকে গুলিস্তান মোড়ের দিকে রওনা হয়। দুপুর ১২টার দিকে তারা গুলিস্তান মোড়ে পৌঁছায়। দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে শিক্ষার্থীরা জিরো পয়েন্টে অবস্থান নেয়।

default-image

শিক্ষার্থীরা মূলত ছয়টি দাবি নিয়ে সড়কে নেমেছে। এগুলো হলো—সবার জন্য সড়ক নিরাপদ করা, ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের পর পাস হওয়া আইন বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া, নাঈমের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করা, নাঈমের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, গুলিস্তানের মতো ব্যস্ততম সড়কে পদচারী-সেতু স্থাপন করা ও সব ধরনের ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা।

default-image

আজ শিক্ষার্থীরা যখন মিছিল নিয়ে শাপলা চত্বরে যায়, তখন তাদের অন্যতম স্লোগান ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিজ’ ও ‘আমার ভাই মরল কেন, প্রশাসন জবাব চাই’।

আন্দোলন প্রসঙ্গে নাঈমের সহপাঠী হাসিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা নিরাপদ সড়ক চাই। আমাদের এই আন্দোলন অহিংস।’

গতকাল বুধবার শিক্ষার্থী নাঈম গুলিস্তানে সড়ক পার হওয়ার সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ময়লার গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে পড়ে যায়। এরপর গাড়িটি না থেমে তাকে চাপা দেয়। এ ঘটনায় একজনকে গতকাল বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মো. ফারুক হোসেন প্রথম আলোকে এসব তথ্য জানান।

default-image

ফারুক হোসেনের ভাষ্য, চালক তাঁর সহকারীকে গাড়ি দিয়ে বাসায় চলে যান। ঘটনার সময় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন চালকের সহকারী। গতকাল রাতে পল্টন থানার পুলিশ চালকের সহকারীকে গ্রেপ্তার করে।

নাঈমের মৃত্যুর খবর পেয়ে গতকাল তার সহপাঠীরা গুলিস্তান মোড়ে জড়ো হয়। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা নগর ভবনে যায়। পরে আবার গুলিস্তান মোড়ে গিয়ে তারা সড়ক অবরোধ করে। বিক্ষোভকালে শিক্ষার্থীরা তাদের সহপাঠীর মৃত্যুর ঘটনার ন্যায়বিচার, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করাসহ ছয় দফা দাবি তুলে ধরে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন