পঞ্চগড়ে পাথর বালু বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ
পঞ্চগড়ের বালু-পাথর ব্যবসায়ীরা গতকাল রোববার থেকে সব ধরনের পাথর-বালু বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন৷ কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই ট্রাকে পাথর তোলার মজুরি বৃদ্ধি ও বকশিশের নামে পরিবহনশ্রমিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে ব্যবসায়ীরা এ ঘোষণা দেন৷
শনিবার সকালে জেলা পাথর ও বালি যৌথ ফেডারেশনের পক্ষ থেকে পাথর ও বালু বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে জেলা প্রশাসককে জানানো হয়৷
পঞ্চগড় জেলা পাথর ও বালি যৌথ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমানুল্লাহ জানান, ফেডারেশন ও শ্রমিক সংগঠনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলার প্রতিটি পাথর ও বালু কোয়াির থেকে প্রতি ঘনফুট এক টাকা ৬০ পয়সা হারে পাথর ট্রাকে তোলার কথা৷ কিন্তু তেঁতুলিয়া ও ভজনপুর এলাকার শ্রমিকেরা কারও সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ করে এলাকায় মাইকযোগে প্রচার করে প্রতি ঘনফুট দুই টাকা হারে নির্ধারণসহ বকশিশের নামে অতিরিক্ত চাঁদা আদায় করেন৷ বিষয়টি জেলা শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের জানানো হলেও তাঁরা এ বিষয়ে কার্যত কোনো ব্যবস্থা নেননি৷ এ কারণে জেলা পাথর ও বালি যৌথ ফেডারেশন গতকাল থেকে জেলায় সব ধরনের পাথর ও বালু বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়৷
জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রেনু মিয়া জানান, শ্রমিকেরা চার বছর ধরে প্রতি ঘনফুট পাথর ও বালু এক টাকা ৬০ পয়সা হারে ট্রাকে তুলছেন৷ এখন সবকিছুর দাম বেড়েছে, কিন্তু শ্রমিকেরা তাঁদের ন্যায্য দািবর কথা বললে ব্যবসায়ীরা তাদের চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করেন৷ এটা দুঃখজনক৷
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন জানান, বিষয়টি তিনি জেনেছেন৷ সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে৷