বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মন্ত্রী সেতুর অগ্রগতি সম্পর্কে বলেন, মূল সেতুর নির্মাণকাজ প্রায় ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। নদীশাসনের কাজের অগ্রগতি ৮৫ দশমিক ২৫ শতাংশ। প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৮৮ শতাংশ।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, শেখ হাসিনার অবদান, পদ্মা সেতু দৃশ্যমান—এটি এখন আর কোনো স্লোগান নয়, দৃশ্যমান বাস্তবতা। তিনি জানান, পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তে সাতটি পুনর্বাসন এলাকা নির্মাণ করা হয়েছে। এসব এলাকায় মোট ৩ হাজার ১১টি আবাসিক প্লট রয়েছে। এ পর্যন্ত ২ হাজার ৯৬৩টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ভূমিহীনদের ৮১৪ প্লট বিনা মূল্যে বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট ১০০ বাণিজ্যিক প্লটের মধ্যে এ পর্যন্ত ৮১টি প্লট এবং ১২০টি বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে ৭২টি বরাদ্দ করা হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী জানান, ৮২৩টি লিজ দলিলের মধ্যে আজ ২০টি দলিল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে হস্তান্তর করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সবাই পাবেন। কেউ বঞ্চিত হবেন না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ সাগুফতা ইয়াসমিন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এফ এম জাহিদ হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামসহ মুন্সিগঞ্জ জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন